ঈশ্বরগঞ্জে রাতে অনুমোদন ছাড়াই বিদ্যুতের খুঁটি সরানোর চেষ্টা, মোটরসাইকেল সরঞ্জাম জব্দ
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের অনুমোদন ছাড়াই রাতের আঁধারে বিদ্যুতের খুঁটি স্থানান্তরের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের ধাওয়া খেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালানোর সময় তারা একটি মোটরসাইকেল ও খুঁটি অপসারণের বিভিন্ন সরঞ্জাম ফেলে যায়। পরে পুলিশ সেগুলো জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। শুক্রবার (৭ আগস্ট) দিবাগত রাতে উপজেলার বড়জোড়া গ্রামের ধ্বংসের মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় আনোয়ার হোসেন (৩৮) জানান, বাড়ির সামনে থাকা পল্লী বিদ্যুতের একটি খুঁটি স্থানান্তরের জন্য প্রায় চার মাস আগে তিনি ঈশ্বরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে যোগাযোগ করেন। অফিস থেকে আবেদন করতে বলা হলেও পরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ইলেকট্রিশিয়ান তছলিম (আইডি নং-৬০১০) এর সঙ্গে তার কথা হয়। তছলিম তাকে জানান, নিয়ম মেনে খুঁটি সরাতে ৬-৭ মাস সময় ও ৩০-৩৫ হাজার টাকা খরচ হবে। তবে ২০ হাজার টাকা দিলে অফিস ম্যানেজ করে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার কথা বলেন তিনি। আনোয়ারের দাবি, তিনি দুই কিস্তিতে তছলিমকে ২০ হাজার টাকা দেন। পরে শুক্রবার বিকেলে তছলিম ৮-১০ জন লোক নিয়ে রাতের আঁধারে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে খুঁটি স্থানান্তরের কাজ শুরু করেন। এদিকে
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের অনুমোদন ছাড়াই রাতের আঁধারে বিদ্যুতের খুঁটি স্থানান্তরের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের ধাওয়া খেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালানোর সময় তারা একটি মোটরসাইকেল ও খুঁটি অপসারণের বিভিন্ন সরঞ্জাম ফেলে যায়। পরে পুলিশ সেগুলো জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) দিবাগত রাতে উপজেলার বড়জোড়া গ্রামের ধ্বংসের মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় আনোয়ার হোসেন (৩৮) জানান, বাড়ির সামনে থাকা পল্লী বিদ্যুতের একটি খুঁটি স্থানান্তরের জন্য প্রায় চার মাস আগে তিনি ঈশ্বরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে যোগাযোগ করেন। অফিস থেকে আবেদন করতে বলা হলেও পরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ইলেকট্রিশিয়ান তছলিম (আইডি নং-৬০১০) এর সঙ্গে তার কথা হয়। তছলিম তাকে জানান, নিয়ম মেনে খুঁটি সরাতে ৬-৭ মাস সময় ও ৩০-৩৫ হাজার টাকা খরচ হবে। তবে ২০ হাজার টাকা দিলে অফিস ম্যানেজ করে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার কথা বলেন তিনি।
আনোয়ারের দাবি, তিনি দুই কিস্তিতে তছলিমকে ২০ হাজার টাকা দেন। পরে শুক্রবার বিকেলে তছলিম ৮-১০ জন লোক নিয়ে রাতের আঁধারে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে খুঁটি স্থানান্তরের কাজ শুরু করেন। এদিকে বিদ্যুৎ বন্ধ থাকায় স্থানীয় ফখরউদ্দিন ভূঁইয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করে বিষয়টি জানান। পরে লাইনম্যান মাসুদ রানা ও লাইন টেকনিশিয়ান মৃদুল জোয়ারদার ঘটনাস্থলে গিয়ে বিদ্যুৎ বন্ধ করে খুঁটি সরানোর কাজ চলতে দেখেন এবং বিষয়টি অফিসকে জানান।
পরে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে শ্রমিকরা দৌড়ে পালিয়ে যান। এ সময় নুরুজ্জামান নামে একজন সেখানে আটকা পড়েন। তিনি নিজেকে পল্লী বিদ্যুৎ ঠিকাদারদের ফ্লোরম্যান হিসেবে পরিচয় দেন এবং দাবি করেন, রুহুল আমিন তাকে ওই কাজে নিয়ে এসেছিলেন। তবে কাজটির বৈধতা সম্পর্কে তিনি সন্তোষজনক কোনো উত্তর দিতে পারেননি। পরে তিনিও পালিয়ে যান।
রুহুল আমিন দাবি করেন, তছলিম তাকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং গিয়ে তিনি কাজটি অবৈধ জানতে পারেন। অন্যদিকে তছলিম টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আনোয়ার সরাসরি নুরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।
ঈশ্বরগঞ্জ জোনাল অফিসের এজিএম কাউসার মোহাম্মদ উমর ফারুক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশ একটি মোটরসাইকেল ও বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করেছে। তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডিজিএম অনিতা বর্ধন জানান, ছুটির কারণে তিনি কর্মস্থলে ছিলেন না। বিষয়টি শুনেছেন এবং জিএমের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর জিএম নূর মোহাম্মদ জানান, এঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেন পাওয়ার পর যথাযত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
What's Your Reaction?