ঈশ্বরদীতে দুই দিন সূর্যের দেখা নেই, তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি

তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় ঈশ্বরদীর জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। গত দুই দিন ধরে সূর্যের দেখা মেলেনি। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। সোমবার (৫ জানুয়ারি) চলতি মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া গত ৭ দিন ধরে ঈশ্বরদীর তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি থেকে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রির মধ্যে উঠানামা করছে। ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিস সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার তাপমাত্রায় বাতাসের আদ্রতা রয়েছে ৯৪ শতাংশের একটু বেশি। প্রচণ্ড শীতের কারণে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। উপজেলা বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বিপাক রয়েছে ভাসমান, ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষ। শীত নিবারণে বিতরণ থেকে সংগ্রহ করা একটি কম্বলই যেন ছিন্নমূল মানুষের একমাত্র সম্বল। ঈশ্বরদী প্রেসক্লাব গলিতে আগুনে শীত নিবারণের সময় কথা হয় স্টেশনে থাকা ভাসমান মানুষ রেহেনা বালার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘পোলামাইয়া লইয়া শীতের মধ্যে কই যামু। অতিরিক্ত শীতে কোনোখানে যাইয়া শান্তি পাই না, তাই এহেনে আইয়া আগুনে শীত নিবারণের চেষ্টা করতাছি।’ স্টেশন রোডে ভ্রাম্

ঈশ্বরদীতে দুই দিন সূর্যের দেখা নেই, তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি

তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় ঈশ্বরদীর জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। গত দুই দিন ধরে সূর্যের দেখা মেলেনি। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) চলতি মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া গত ৭ দিন ধরে ঈশ্বরদীর তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি থেকে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রির মধ্যে উঠানামা করছে।

ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিস সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার তাপমাত্রায় বাতাসের আদ্রতা রয়েছে ৯৪ শতাংশের একটু বেশি। প্রচণ্ড শীতের কারণে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

উপজেলা বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বিপাক রয়েছে ভাসমান, ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষ। শীত নিবারণে বিতরণ থেকে সংগ্রহ করা একটি কম্বলই যেন ছিন্নমূল মানুষের একমাত্র সম্বল।

ঈশ্বরদী প্রেসক্লাব গলিতে আগুনে শীত নিবারণের সময় কথা হয় স্টেশনে থাকা ভাসমান মানুষ রেহেনা বালার সঙ্গে।

তিনি বলেন, ‘পোলামাইয়া লইয়া শীতের মধ্যে কই যামু। অতিরিক্ত শীতে কোনোখানে যাইয়া শান্তি পাই না, তাই এহেনে আইয়া আগুনে শীত নিবারণের চেষ্টা করতাছি।’

স্টেশন রোডে ভ্রাম্যমান দোকানদার মো. জুলমত শেখ বলেন, টানা শৈত্যপ্রবাহে শীতের পরিমাণ এতটাই বেড়েছে যে মানুষ নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া বের হচ্ছে না। বেচাকেনা একেবারেই নেই, কিভাবে চলবো বুঝতে পারছি না।

পৌর মার্কেটের সবজি ব্যবসায়ী জুয়েল বিশ্বাস বলেন, ভোরে সবজি কিনে এনে বিক্রি করতে হয়। দু-তিনদিন অতিরিক্ত শীত আর কুয়াশায় বেচাকেনা নেই। সবজি বিক্রি করে যা লাভ হয় তা দিয়ে সংসার চলে। এত শীতে লোকজন বের না হলে কিভাবে বেচাকেনা হবে? একটু চিন্তায় আছি।

ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক নাজমূল হক রঞ্জন বলেন, শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে শীতের প্রকোপ বেড়েছে। তাপমাত্রা আরও কমে শীতের পরিমাণ বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

শেখ মহসীন/এনএইচআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow