উখিয়ায় এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
কক্সবাজারের উখিয়ায় এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিক্ষার্থী গোলাপশা আক্তার (১৭) উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার ছৈয়দ মিস্ত্রীর মেয়ে। তিনি রুমখাঁ পালং ইসলামীয়া আলিম মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে মাদ্রাসায় যাওয়ার জন্য ডাকতে যান। ভেতর থেকে তার কোনো সাড়া না পেয়ে ঘরের দরজা ভাঙা হয়। এসময় তার ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ দেখা যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে নিচে নামানো হয়। খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমে।
এলাকাবাসীর দাবি, প্রেমঘটিত একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে কিশোরী মানসিক চাপে ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কিছুদিন আগে মনির মার্কেট এলাকার মামুনের ছেলের সঙ্গে গোলাপশা বাড়ি থেকে চলে গিয়েছিল। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে ফিরিয়ে আনেন। সেই ঘটনার পর থেকেই পরিবারে অস্থিরতা চলছিল।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ হোসাইন সিকদার বলেন, পরিবারের দাবি এটি আত্মহত্যা। তবে ঘটনাটি হত
কক্সবাজারের উখিয়ায় এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিক্ষার্থী গোলাপশা আক্তার (১৭) উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার ছৈয়দ মিস্ত্রীর মেয়ে। তিনি রুমখাঁ পালং ইসলামীয়া আলিম মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে মাদ্রাসায় যাওয়ার জন্য ডাকতে যান। ভেতর থেকে তার কোনো সাড়া না পেয়ে ঘরের দরজা ভাঙা হয়। এসময় তার ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ দেখা যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে নিচে নামানো হয়। খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমে।
এলাকাবাসীর দাবি, প্রেমঘটিত একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে কিশোরী মানসিক চাপে ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কিছুদিন আগে মনির মার্কেট এলাকার মামুনের ছেলের সঙ্গে গোলাপশা বাড়ি থেকে চলে গিয়েছিল। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে ফিরিয়ে আনেন। সেই ঘটনার পর থেকেই পরিবারে অস্থিরতা চলছিল।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ হোসাইন সিকদার বলেন, পরিবারের দাবি এটি আত্মহত্যা। তবে ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা তদন্তের আগে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। গোলাপশা তার বাবার দ্বিতীয় স্ত্রীর মেয়ে।
উখিয়া থানার ওসি মুজিবুল হক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।