উত্তপ্ত ঢামেক, সমাধানে আলোচনার টেবিলে চিকিৎসক ও ঢাবি শিক্ষার্থীরা
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনার পর সমস্যা সমাধানে উভয়পক্ষ আলোচনায় বসেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত পৌনে ৮টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম, পুলিশ কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা উপস্থিত রয়েছেন। এর আগে বিকেলে শিক্ষার্থীর সঙ্গে চিকিৎসকের রূঢ় আচরণের অভিযোগে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাবি শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবাদে চিকিৎসকেরা জরুরি বিভাগে চিকিৎসাসেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখেন। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ জরুরি বিভাগের সামনে স্লোগান দিতে থাকেন। তখন জরুরি বিভাগের প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয় পুলিশ। আরও পড়ুনঢাবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢামেক চিকিৎসকদের হাতাহাতি, বন্ধ জরুরি বিভাগ সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, টিকিট কাউন্টার থেকে রোগীদের টিকিট দেওয়া হলেও জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনার পর সমস্যা সমাধানে উভয়পক্ষ আলোচনায় বসেছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত পৌনে ৮টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম, পুলিশ কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা উপস্থিত রয়েছেন।
এর আগে বিকেলে শিক্ষার্থীর সঙ্গে চিকিৎসকের রূঢ় আচরণের অভিযোগে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাবি শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবাদে চিকিৎসকেরা জরুরি বিভাগে চিকিৎসাসেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখেন।
একপর্যায়ে উভয়পক্ষ জরুরি বিভাগের সামনে স্লোগান দিতে থাকেন। তখন জরুরি বিভাগের প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয় পুলিশ।
আরও পড়ুন
ঢাবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢামেক চিকিৎসকদের হাতাহাতি, বন্ধ জরুরি বিভাগ
সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, টিকিট কাউন্টার থেকে রোগীদের টিকিট দেওয়া হলেও জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সেবা নিতে আসা রোগীরা।
জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলের শিক্ষার্থী সানিম (২৩) বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জ্বর ও পেটের ব্যথা নিয়ে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে গেলে চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা করে একটি ওষুধ লিখে দেন।
সানিমের দাবি, হাসপাতালের বাইরে আশপাশের কয়েকটি ফার্মেসি ঘুরে ওষুধটি না পেয়ে ওই শিক্ষার্থী আবার চিকিৎসকের কাছে গিয়ে অন্য কোনো ওষুধ লেখার অনুরোধ করেন। এসময় চিকিৎসক তার সঙ্গে রাগান্বিত আচরণ করেন এবং স্কেল দিয়ে মারার চেষ্টা করেন।
এ ঘটনার পর সানিম হলে ফিরে সাত-আটজন সহপাঠী আবার হাসপাতালে যান এবং তারা ওই চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বাগবিতণ্ডায় জড়ান।
একপর্যায়ে ওই চিকিৎসককে টানাহেঁচড়া করা হয় এবং তাকে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যে জরুরি বিভাগের সামনে আরও শিক্ষার্থী জড়ো হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ওই চিকিৎসক বাইরে বের হলে আবারও তার গায়ে হাত তোলার চেষ্টা করা হয়। তখন চিকিৎসকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জরুরি বিভাগের ফটক বন্ধ করে দেন। কিন্তু গেটের বাইরে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করতে থাকেন।
জানতে চাইলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
কাজী আল-আমিন/এমকেআর
What's Your Reaction?