উত্তরা সরকারি কলেজে বিজ্ঞান ক্লাবের ১০ বছর পূর্তিতে পুনর্মিলনী
রাজধানীর উত্তরা সরকারি কলেজে বিজ্ঞান ক্লাবের ১০ বছর পূর্তি উদযাপন করা হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) কলেজ ক্যাম্পাসে পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়। এতে ক্লাবের প্রাক্তন সব প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারি, মডারেটর এবং সাবেক ও বর্তমান সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। ক্লাবের মডারেটর ও বোটানি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রোবায়দা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কুদ্দুস সিকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে শিক্ষক পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাকিল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কুদ্দুস সিকদার বলেন, মানব ইতিহাস সমৃদ্ধ আজ বিজ্ঞানের জয়জয়কারে। খ্রিস্টপূর্ব আনুমানিক ৩,০০০-১,২০০ এর মধ্যে মিশর ও মেসোপটেমিয়ায় বিজ্ঞানের সৃচনা ঘটে, যেখানে বিকশিত হয় গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা ও চিকিৎসাবিদ্যা। আজ বিশ্বটাই বিজ্ঞানময়, বিজ্ঞানের এ যুগে বিজ্ঞান ক্লাবের কর্মতৎপরতা ও সাফল্যে আমি আনন্দিত। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা এমন একটি জেনারেশনের প্রতিনিধিত্ব করছো, যারা খুব অস্থির, পরিশ্রমে অনাগ্রহী এবং মোবাইল ফোন নির্ভর ডিজিটাল প্রজন্ম। তোমরা ঘরে না মানতে চাও বাবা ম
রাজধানীর উত্তরা সরকারি কলেজে বিজ্ঞান ক্লাবের ১০ বছর পূর্তি উদযাপন করা হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) কলেজ ক্যাম্পাসে পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়। এতে ক্লাবের প্রাক্তন সব প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারি, মডারেটর এবং সাবেক ও বর্তমান সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
ক্লাবের মডারেটর ও বোটানি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রোবায়দা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কুদ্দুস সিকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে শিক্ষক পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাকিল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কুদ্দুস সিকদার বলেন, মানব ইতিহাস সমৃদ্ধ আজ বিজ্ঞানের জয়জয়কারে। খ্রিস্টপূর্ব আনুমানিক ৩,০০০-১,২০০ এর মধ্যে মিশর ও মেসোপটেমিয়ায় বিজ্ঞানের সৃচনা ঘটে, যেখানে বিকশিত হয় গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা ও চিকিৎসাবিদ্যা। আজ বিশ্বটাই বিজ্ঞানময়, বিজ্ঞানের এ যুগে বিজ্ঞান ক্লাবের কর্মতৎপরতা ও সাফল্যে আমি আনন্দিত।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা এমন একটি জেনারেশনের প্রতিনিধিত্ব করছো, যারা খুব অস্থির, পরিশ্রমে অনাগ্রহী এবং মোবাইল ফোন নির্ভর ডিজিটাল প্রজন্ম। তোমরা ঘরে না মানতে চাও বাবা মায়ের শাসন, আবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে না শুনতে চাও শিক্ষকের কথা। সুতরাং এ অস্থির প্রজন্মের প্রতিনিধি হয়েও তোমরা যারা ক্লাবের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আছো তাদের সবাইকে ধন্যবাদ।
অধ্যক্ষ বলেন,প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ক্লাবটি সফলভাবে পাঁচটি জাতীয় বিজ্ঞান উৎসব আয়োজন করেছে। এছাড়াও বিভিন্ন কলেজের বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হয়ে এসেছে। আইইউবিএটি আয়োজিত ২য় সাস্টেইনেবিলিটি অলিম্পিয়াডে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মাধ্যমে ক্লাবটি জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ কৃতিত্ব অর্জন করে।
নিরবচ্ছিন্ন অর্জন, নেতৃত্ব ও উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে হিগস বোসন সায়েন্স ক্লাব শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চার অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠছে উল্লেখ করে ভবিষ্যতেও জ্ঞান, গবেষণা ও সৃজনশীলতার বিকাশে ক্লাবটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন অধ্যক্ষ।
এনএস/এমএমকে
What's Your Reaction?