উত্তরাঞ্চল সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান
দেশে ফেরার পর ঢাকার বাইরে প্রথম সফর হিসেবে উত্তরাঞ্চলে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামী ১১ জানুয়ারি তিনি ঢাকার বাইরে রওনা দেবেন এবং ১৪ জানুয়ারি ঢাকায় ফিরবেন। বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, চার দিনের এ সফরে তারেক রহমান উত্তরাঞ্চলের ৯টি জেলা সফর করবেন। চূড়ান্ত সূচি অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি তারেক রহমান টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়া সফর করবেন। ওই দিন রাতে তিনি বগুড়ায় অবস্থান করবেন। পরদিন ১২ জানুয়ারি বগুড়া থেকে রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ে যাবেন। ১৩ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও থেকে পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাট সফর শেষে রাতে রংপুরে ফিরবেন। ১৪ জানুয়ারি রংপুর থেকে বগুড়া হয়ে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তার। এই সফরের অংশ হিসেবে তারেক রহমান মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, আবু সাঈদ, নানি তৈয়বা মজুমদারসহ জুলাই ও দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের কবর জিয়ারত করবেন এবং দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন। পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনে আহত ও নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সফর সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে বিএনপির পক্ষ থেকে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে, এ সফর ধর্মীয় ও সামাজিক
দেশে ফেরার পর ঢাকার বাইরে প্রথম সফর হিসেবে উত্তরাঞ্চলে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামী ১১ জানুয়ারি তিনি ঢাকার বাইরে রওনা দেবেন এবং ১৪ জানুয়ারি ঢাকায় ফিরবেন।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, চার দিনের এ সফরে তারেক রহমান উত্তরাঞ্চলের ৯টি জেলা সফর করবেন।
চূড়ান্ত সূচি অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি তারেক রহমান টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়া সফর করবেন। ওই দিন রাতে তিনি বগুড়ায় অবস্থান করবেন। পরদিন ১২ জানুয়ারি বগুড়া থেকে রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ে যাবেন। ১৩ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও থেকে পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাট সফর শেষে রাতে রংপুরে ফিরবেন। ১৪ জানুয়ারি রংপুর থেকে বগুড়া হয়ে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তার।
এই সফরের অংশ হিসেবে তারেক রহমান মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, আবু সাঈদ, নানি তৈয়বা মজুমদারসহ জুলাই ও দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের কবর জিয়ারত করবেন এবং দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন। পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনে আহত ও নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
সফর সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে বিএনপির পক্ষ থেকে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে, এ সফর ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে। ফলে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন প্রণীত আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো শঙ্কা নেই।
What's Your Reaction?