উন্নয়নের নামে অপরিকল্পিতভাবে পরিবেশ ধ্বংস করা হয়েছে: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অতীতে উন্নয়নের নামে অপরিকল্পিতভাবে পরিবেশ ধ্বংস করা হয়েছে। এর বড় উদাহরণ হলো- সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বাড়ি যাওয়ার জন্য হাওরের বুক চিরে রাস্তা নির্মাণ করা। এতে হাওরের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে, যা পরিবেশের জন্য চরম বিপর্যয় ডেকে এনেছে।  মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।  রুহুল কবির রিজভী বলেন, পরিবেশের কথা বিবেচনা না করে যে অবকাঠামো তৈরি করা হয়, তা প্রকৃত উন্নয়ন নয়। অতীতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে বিশেষজ্ঞ মত উপেক্ষা করে সুন্দরবনের রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। এই অপরিকল্পিত উন্নয়নের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে, যা আজ পরিবেশকে মৃতপ্রায় করে তুলছে। তিনি আরও বলেন, প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে নদী ও হাওরকে মুক্ত রাখতে হবে। পরিবেশকে বিপন্ন করে যে উন্নয়নের প্রচেষ্টা, তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। এসময় ভূমি ও পার্বত্যবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মো. হেলাল উদ্দীন বলেন, অনেক জায়গায় খাল দখল করে স্থা

উন্নয়নের নামে অপরিকল্পিতভাবে পরিবেশ ধ্বংস করা হয়েছে: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অতীতে উন্নয়নের নামে অপরিকল্পিতভাবে পরিবেশ ধ্বংস করা হয়েছে। এর বড় উদাহরণ হলো- সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বাড়ি যাওয়ার জন্য হাওরের বুক চিরে রাস্তা নির্মাণ করা। এতে হাওরের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে, যা পরিবেশের জন্য চরম বিপর্যয় ডেকে এনেছে। 

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। 

রুহুল কবির রিজভী বলেন, পরিবেশের কথা বিবেচনা না করে যে অবকাঠামো তৈরি করা হয়, তা প্রকৃত উন্নয়ন নয়। অতীতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে বিশেষজ্ঞ মত উপেক্ষা করে সুন্দরবনের রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। এই অপরিকল্পিত উন্নয়নের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে, যা আজ পরিবেশকে মৃতপ্রায় করে তুলছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে নদী ও হাওরকে মুক্ত রাখতে হবে। পরিবেশকে বিপন্ন করে যে উন্নয়নের প্রচেষ্টা, তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

এসময় ভূমি ও পার্বত্যবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মো. হেলাল উদ্দীন বলেন, অনেক জায়গায় খাল দখল করে স্থাপনা তৈরির ফলে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা অকেজো হয়ে পড়েছে। খাল দখল করে পানিপ্রবাহ বিনষ্ট করার ফলে এই জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। আমরা নদী ও খাল দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করেছি। 

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন এবং দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। এ সময় দুর্গত মানুষদের মানবেতর জীবনযাপনের কথা উল্লেখ করে ত্রাণ সহায়তার ওপর জোর দেওয়া হয়। স্থানীয় প্রশাসন, বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow