উপসাগর থেকে তেল সরবরাহ সংঘাতের আগের চেয়ে বেড়েছে: মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের মধ্যেও উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল সরবরাহ সংঘাত শুরুর আগের গড় মাত্রা ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর শাফাক নিউজের।  তিনি বলেন, গত ৯ আগস্ট উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল রপ্তানি হয়েছে। গত এক সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৯০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হয়েছে। রাইটের মতে, মার্কিন সামরিক বাহিনী ও মিত্রদের সমন্বিত তৎপরতার কারণে হরমুজ দিয়ে তেল পরিবহন এই পর্যায়ে রয়েছে। এ ছাড়া পাইপলাইন ও উন্নত রপ্তানি অবকাঠামোর মাধ্যমে প্রতিদিন আরও ৫০ থেকে ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে অঞ্চলটিতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় দেড় কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহ হয়েছে। তবে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এখনো সমঝোতা হয়নি। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত হরমুজ পুরোপুরি খুলে দেওয়া হবে না। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে আঞ্চলিক সংঘাত বন্ধ করা এবং ইরানের জব্দ করা অর্থ ছাড় করা। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাব

উপসাগর থেকে তেল সরবরাহ সংঘাতের আগের চেয়ে বেড়েছে: মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের মধ্যেও উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল সরবরাহ সংঘাত শুরুর আগের গড় মাত্রা ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর শাফাক নিউজের। 

তিনি বলেন, গত ৯ আগস্ট উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল রপ্তানি হয়েছে। গত এক সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৯০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হয়েছে।

রাইটের মতে, মার্কিন সামরিক বাহিনী ও মিত্রদের সমন্বিত তৎপরতার কারণে হরমুজ দিয়ে তেল পরিবহন এই পর্যায়ে রয়েছে। এ ছাড়া পাইপলাইন ও উন্নত রপ্তানি অবকাঠামোর মাধ্যমে প্রতিদিন আরও ৫০ থেকে ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে অঞ্চলটিতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় দেড় কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহ হয়েছে।

তবে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এখনো সমঝোতা হয়নি। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত হরমুজ পুরোপুরি খুলে দেওয়া হবে না। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে আঞ্চলিক সংঘাত বন্ধ করা এবং ইরানের জব্দ করা অর্থ ছাড় করা।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালির মাইন সরিয়ে ফেলেছে এবং এখন প্রণালিটির ‘১০০ শতাংশ’ নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে।

এদিকে ইরানের ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ কার্যকর রাখতে গিয়ে ৯ আগস্ট পর্যন্ত ৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। এ ছাড়া দুটি জাহাজ অচল এবং আরও দুটি জাহাজে তল্লাশি চালানো হয়েছে।

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ওমানের মধ্যে একটি সমঝোতার চেষ্টা চলছে। তবে অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ইরানের আশপাশ থেকে মার্কিন সেনা সরানো, সামরিক অভিযান বন্ধ এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মতো ইরানের দাবিগুলো নিয়ে এখনো সমাধান হয়নি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow