উৎসব ভাতা নিয়ে সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ১৭ বছর ধরে শিক্ষকদের উৎসব ভাতা বাড়ানো হয়নি। চলতি বছর ১০ শতাংশ ভাতা বাড়ানো হচ্ছে। তবে এটা হয়তো বাস্তবায়ন হবে কোরবানি ঈদের সময়ে। তিনি বলেন, ভাতা ১০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব এরই মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে সরকারের ভেতরে আলোচনা চলছে। বাজেটের আগেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। পাশাপাশি দেরি হলে পরবর্তীতে তা কার্যকর করার কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। সোমবার (৬ এপ্রিল) ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা জানান তিনি। সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য, প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধি এবং শিক্ষক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষকদের বা সংশ্লিষ্টদের কোনো দাবি থাকলে তা যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হলে সরকার বিবেচনা করবে। এজন্য রাস্তায় নেমে আন্দোলনের প্রয়োজন নেই। শিক্ষকদের উৎসব ভাতা ১০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে, অর্থ মন্ত্রণালয়
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ১৭ বছর ধরে শিক্ষকদের উৎসব ভাতা বাড়ানো হয়নি। চলতি বছর ১০ শতাংশ ভাতা বাড়ানো হচ্ছে। তবে এটা হয়তো বাস্তবায়ন হবে কোরবানি ঈদের সময়ে।
তিনি বলেন, ভাতা ১০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব এরই মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে সরকারের ভেতরে আলোচনা চলছে। বাজেটের আগেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। পাশাপাশি দেরি হলে পরবর্তীতে তা কার্যকর করার কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা জানান তিনি। সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য, প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধি এবং শিক্ষক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষকদের বা সংশ্লিষ্টদের কোনো দাবি থাকলে তা যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হলে সরকার বিবেচনা করবে। এজন্য রাস্তায় নেমে আন্দোলনের প্রয়োজন নেই। শিক্ষকদের উৎসব ভাতা ১০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রাথমিকভাবে সীমিত বরাদ্দের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। বাজেটের আগেই এ বিষয়ে সমাধান আসতে পারে। প্রয়োজনে বিভিন্ন খাত সমন্বয় করে হলেও এই প্রস্তাব বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের আর্থিক বিধি ও প্রক্রিয়ার কারণে কিছুটা সময় লাগলেও বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণ আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। ঈদের আগেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। দেরি হলে পরবর্তীতে তা কার্যকর (পোস্ট-ইফেক্ট) করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
সভায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রসঙ্গও উঠে আসে। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মতো মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদেরও উপবৃত্তি, মিড-ডে মিল ও পোশাকসহ অন্যান্য সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে কাজ করছে সরকার। এরই মধ্যে পাইলট প্রকল্প হিসেবেও কিছু কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে।
বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, একসময় মাদ্রাসায় বিনামূল্যে বই দেওয়া হতো না। পরবর্তীতে উদ্যোগ নিয়ে এ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অসঙ্গতি ধরা পড়লেও তা সমাধান করে কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে।
এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে অপ্রয়োজনীয় সময় নষ্ট কমাতে পরীক্ষা পদ্ধতি ও সময়সূচি পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। সিলেবাস সম্পন্ন হওয়ার পর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে পরীক্ষা নেওয়ার ফলে শিক্ষার্থীদের সময় অপচয় হয়, যা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ড. মিলন বলেন, বিশ্ব এখন কাগজবিহীন ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার দিকে এগোচ্ছে। তাই বাংলাদেশকেও ধীরে ধীরে অনলাইন ও স্মার্ট শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। অনলাইন ও অফলাইন শিক্ষার সমন্বয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রস্তুত করার ওপর জোর দেন তিনি।
What's Your Reaction?