ঋণখেলাপি হওয়ায় মনোনয়ন বাতিল আরেক বিএনপি প্রার্থীর
ঋণখেলাপির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারিয়েছেন বগুড়া-১ (সোনাতলা-সারিয়াকান্দি) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ কাজী রফিকুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) উচ্চ আদালতের এক রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ঋণখেলাপি হিসেবে সাব্যস্ত হওয়ায় নির্বাচনি বিধি অনুযায়ী তার প্রার্থিতা বাতিল হয়ে গেছে। এর ফলে প্রচলিত নির্বাচনী আইন অনুযায়ী তার প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হবে। আলহাজ কাজী রফিকুল ইসলাম বগুড়া-১ (সোনাতলা-সারিয়াকান্দি) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। একই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আছেন সোনাতলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির। তার মনোনয়নপত্র বহাল রয়েছে। জানা গেছে, বেসরকারি দুটি ব্যাংক থেকে নেওয়া বিপুল অঙ্কের ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় কাজী রফিকুল ইসলাম প্রায় ৭৬৫ কোটি টাকার ঋণখেলাপিতে পরিণত হন। নির্বাচনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে তিনি ঋণ পরিশোধ না করেই উচ্চ আদালত থেকে একটি স্থগিতাদেশ (স্টে অর্ডার) আদায় করেন। ওই আদেশে বাংলাদেশ ব্যাংককে তার নাম ঋণ খেলাপির তালিকা ও সিআইবি প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে বৃহস্পতিবার
ঋণখেলাপির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারিয়েছেন বগুড়া-১ (সোনাতলা-সারিয়াকান্দি) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ কাজী রফিকুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) উচ্চ আদালতের এক রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ঋণখেলাপি হিসেবে সাব্যস্ত হওয়ায় নির্বাচনি বিধি অনুযায়ী তার প্রার্থিতা বাতিল হয়ে গেছে। এর ফলে প্রচলিত নির্বাচনী আইন অনুযায়ী তার প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হবে।
আলহাজ কাজী রফিকুল ইসলাম বগুড়া-১ (সোনাতলা-সারিয়াকান্দি) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। একই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আছেন সোনাতলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির। তার মনোনয়নপত্র বহাল রয়েছে।
জানা গেছে, বেসরকারি দুটি ব্যাংক থেকে নেওয়া বিপুল অঙ্কের ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় কাজী রফিকুল ইসলাম প্রায় ৭৬৫ কোটি টাকার ঋণখেলাপিতে পরিণত হন। নির্বাচনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে তিনি ঋণ পরিশোধ না করেই উচ্চ আদালত থেকে একটি স্থগিতাদেশ (স্টে অর্ডার) আদায় করেন। ওই আদেশে বাংলাদেশ ব্যাংককে তার নাম ঋণ খেলাপির তালিকা ও সিআইবি প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
তবে বৃহস্পতিবার এক্সিম ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ওই আদেশের বিরুদ্ধে রিট করলে আদালত পূর্বের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নেন। ফলে কাজী রফিকুল ইসলাম পুনরায় আইনগতভাবে ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হন।
এর আগে ঋণখেলাপিসহ হলফনামায় একাধিক তথ্যগত অসঙ্গতির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও বগুড়ার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন।
কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি বর্তমানে বগুড়ায় অবস্থান করছি। বিষয়টি ঢাকায় হয়েছে। ঢাকায় আমার আইনজীবী রয়েছেন, তারা বিষয়টি দেখছেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে আমি আপিল করবে।
What's Your Reaction?