ঋণখেলাপির দায়ে প্রার্থিতা হারালেন বিএনপির কাজী রফিক

ঋণখেলাপির দায়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্যতা হারিয়েছেন বগুড়া-১ (সোনাতলা-সারিয়াকান্দি) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) উচ্চ আদালতের এক রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি পুনরায় ঋণখেলাপি হিসেবে সাব্যস্ত হওয়ায় নির্বাচনি বিধি অনুযায়ী তার প্রার্থিতা বাতিল হয়ে গেছে। আদালত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি দুটি ব্যাংক থেকে নেওয়া অন্তত ৭৬৫ কোটি টাকার ঋণ পরিশোধ না করায় কাজী রফিকুল ইসলাম ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হন। নির্বাচনে অংশ নিতে তিনি খেলাপি ঋণ পরিশোধ না করেই উচ্চ আদালত থেকে একটি স্থগিতাদেশ (স্টে অর্ডার) সংগ্রহ করেছিলেন। ওই আদেশে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যেন সিআইবি প্রতিবেদনে তাকে ঋণখেলাপি হিসেবে দেখানো না হয়। আরও পড়ুন: হাসনাতের আসনে নির্বাচন করতে পারছেন না বিএনপি প্রার্থী বৃহস্পতিবার এক্সিম ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ওই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করলে আদালত কাজী রফিকের পক্ষে দেওয়া আগের আদেশটি স্থগিত করেন। এর ফলে আইনি প্রক্রিয়ায় তিনি আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে ঋণখেলাপি হিসেবে বিবেচিত হলেন, যা তার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁ

ঋণখেলাপির দায়ে প্রার্থিতা হারালেন বিএনপির কাজী রফিক

ঋণখেলাপির দায়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্যতা হারিয়েছেন বগুড়া-১ (সোনাতলা-সারিয়াকান্দি) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) উচ্চ আদালতের এক রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি পুনরায় ঋণখেলাপি হিসেবে সাব্যস্ত হওয়ায় নির্বাচনি বিধি অনুযায়ী তার প্রার্থিতা বাতিল হয়ে গেছে।

আদালত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি দুটি ব্যাংক থেকে নেওয়া অন্তত ৭৬৫ কোটি টাকার ঋণ পরিশোধ না করায় কাজী রফিকুল ইসলাম ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হন। নির্বাচনে অংশ নিতে তিনি খেলাপি ঋণ পরিশোধ না করেই উচ্চ আদালত থেকে একটি স্থগিতাদেশ (স্টে অর্ডার) সংগ্রহ করেছিলেন। ওই আদেশে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যেন সিআইবি প্রতিবেদনে তাকে ঋণখেলাপি হিসেবে দেখানো না হয়।

আরও পড়ুন:
হাসনাতের আসনে নির্বাচন করতে পারছেন না বিএনপি প্রার্থী

বৃহস্পতিবার এক্সিম ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ওই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করলে আদালত কাজী রফিকের পক্ষে দেওয়া আগের আদেশটি স্থগিত করেন। এর ফলে আইনি প্রক্রিয়ায় তিনি আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে ঋণখেলাপি হিসেবে বিবেচিত হলেন, যা তার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াল।

কাজী রফিকুল ইসলামের প্রার্থিতা বাতিলের বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, উচ্চ আদালতের আদেশের কপি হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow