ঋণখেলাপিরা সংসদে গেলে ঋণ মেরে দেওয়ার আইন বানাবে

ঋণ খেলাপিরা সংসদে গেলে ঋণ মেরে দেওয়ার আইন বানাবে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৬ নম্বর ফতেহাবাদ ইউনিয়নের জয়পুর চাঁন মিয়া সুপার মার্কেটে শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ ও দোয়ার মাহফিলে তিনি এই মন্তব্য করেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‌“রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আমরা নতুন কিছু প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু আমরা দেখলাম ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন দিতে। এই ঋণখেলাপিদের সংসদে পাঠিয়ে আসলে তারা জনগণকে কী বার্তা দিতে চায়, সেটা আমাদের বোধগম্য নয়। যারা জনগণের টাকা মেরে দিচ্ছে, যারা ট্যাক্সের টাকা মেরে দিচ্ছে, তারা সংসদে গিয়ে মূলত তাদের এই ঋণ যেন না দিতে হয়, সেই বন্দোবস্ত তারা করবে। সংসদ সদস্য হয়ে তারা যেন ঋণটাকে মেরে দিতে পারে, এই ধরনের আইন বানাবে। সেজন্য ব্যালটের মধ্য দিয়ে ঋণখেলাপিদের ‘না’ বলতে হবে।” তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে ভারতীয়রা গুণ্ডামি চালিয়েছিল। ভারত থেকে বসে ঠিক করে দিয়েছে, আমাদের দেশটা কে চালাবে। বিভিন্ন ব্যাংকের মতো এজেন্ট দিয়েছে। যাকে এ

ঋণখেলাপিরা সংসদে গেলে ঋণ মেরে দেওয়ার আইন বানাবে

ঋণ খেলাপিরা সংসদে গেলে ঋণ মেরে দেওয়ার আইন বানাবে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৬ নম্বর ফতেহাবাদ ইউনিয়নের জয়পুর চাঁন মিয়া সুপার মার্কেটে শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ ও দোয়ার মাহফিলে তিনি এই মন্তব্য করেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‌“রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আমরা নতুন কিছু প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু আমরা দেখলাম ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন দিতে। এই ঋণখেলাপিদের সংসদে পাঠিয়ে আসলে তারা জনগণকে কী বার্তা দিতে চায়, সেটা আমাদের বোধগম্য নয়। যারা জনগণের টাকা মেরে দিচ্ছে, যারা ট্যাক্সের টাকা মেরে দিচ্ছে, তারা সংসদে গিয়ে মূলত তাদের এই ঋণ যেন না দিতে হয়, সেই বন্দোবস্ত তারা করবে। সংসদ সদস্য হয়ে তারা যেন ঋণটাকে মেরে দিতে পারে, এই ধরনের আইন বানাবে। সেজন্য ব্যালটের মধ্য দিয়ে ঋণখেলাপিদের ‘না’ বলতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে ভারতীয়রা গুণ্ডামি চালিয়েছিল। ভারত থেকে বসে ঠিক করে দিয়েছে, আমাদের দেশটা কে চালাবে। বিভিন্ন ব্যাংকের মতো এজেন্ট দিয়েছে। যাকে এজেন্ট দেওয়া হয়েছিল, সেই এজেন্ট মালিকের কথামতো দেশ চালিয়েছিল। যখন পারে নাই, তখন এজেন্টকে মালিক সরিয়ে নিয়ে গেছে।’

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে জামায়াত ও এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জাহিদ পাটোয়ারী/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow