ঋণের চাপে ফাঁস নিলেন ব্যবসায়ী

মানিকগঞ্জের ঘিওরে সিঁড়ির রেলিংয়ের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছেন পুলিশ। পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকট ও ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতের উপজেলার কুস্তাবন্দর মুড়িহাট এলাকায় তার নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত চন্দন ভগত (৫৮) ওই এলাকার মৃত বৈদ্যনাথ (দেবনাথ) ভগতের ছেলে। পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতের কোনো এক সময় নিজ বাড়ির দ্বিতীয় তলার সিঁড়ির রেলিংয়ের সঙ্গে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেন চন্দন ভগত। বুধবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে ঘিওর থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। নিহতের স্ত্রী নুপুর রবি দাস জানান, বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে কয়েক মাস ধরেই মানসিক চাপে ছিলেন তার স্বামী। মঙ্গলবার কিস্তির টাকা আদায়ের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লোকজন বাড়িতে এলে টাকা পরিশোধ করতে না পেরে তিনি সারাদিন বাড়ির বাইরে ছিলেন। রাতে পরিবারের অজান্তেই এ ঘটনা ঘটে

ঋণের চাপে ফাঁস নিলেন ব্যবসায়ী

মানিকগঞ্জের ঘিওরে সিঁড়ির রেলিংয়ের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছেন পুলিশ। পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকট ও ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতের উপজেলার কুস্তাবন্দর মুড়িহাট এলাকায় তার নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত চন্দন ভগত (৫৮) ওই এলাকার মৃত বৈদ্যনাথ (দেবনাথ) ভগতের ছেলে।

পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতের কোনো এক সময় নিজ বাড়ির দ্বিতীয় তলার সিঁড়ির রেলিংয়ের সঙ্গে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেন চন্দন ভগত। বুধবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে ঘিওর থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহতের স্ত্রী নুপুর রবি দাস জানান, বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে কয়েক মাস ধরেই মানসিক চাপে ছিলেন তার স্বামী। মঙ্গলবার কিস্তির টাকা আদায়ের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লোকজন বাড়িতে এলে টাকা পরিশোধ করতে না পেরে তিনি সারাদিন বাড়ির বাইরে ছিলেন। রাতে পরিবারের অজান্তেই এ ঘটনা ঘটে।

ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে ঋণের চাপের বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে এটিই মৃত্যুর একমাত্র কারণ কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়েছে। তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মো. সজল আলী/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow