এই ফিটনেস ট্র্যাকারে থাকবে না কোনো স্ক্রিন
প্রযুক্তির দুনিয়ায় ফিটনেস ট্র্যাকারের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। তবে এবার প্রচলিত স্মার্টওয়াচ বা ডিসপ্লেসমৃদ্ধ ফিটনেস ব্যান্ডের বাইরে এক ভিন্নধর্মী ডিভাইস নিয়ে এসেছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান লুনা। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে উন্মোচন করা হয়েছে ‘লুনা ব্যান্ড’, যা প্রতিষ্ঠানটির প্রথম স্ক্রিনবিহীন ফিটনেস ট্র্যাকার। চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত প্রযুক্তি প্রদর্শনী সিইএস ২০২৬-এ প্রথমবার ডিভাইসটির ঝলক দেখানো হয়েছিল। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে এর বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি। লুনা ব্যান্ডের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর নিজস্ব ‘লাইফওএস’ প্ল্যাটফর্ম। এটি ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন শারীরিক কার্যক্রম, ঘুমের ধরণ, মানসিক চাপ, খাদ্যাভ্যাস, মাসিক চক্র, রক্তের বিভিন্ন সূচক এবং স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ব্যবহারকারীকে দিনের বিভিন্ন সময়ে করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ দেয় এবং হ্যাপটিক অ্যালার্টের মাধ্যমে সতর্ক করে। ডিভাইসটিতে রয়েছে ভয়েস-ভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। ফলে খাবার গ্রহণ, ব্যায়াম বা অন্যান্য স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য ম্যানুয়ালি টাইপ না করে কণ্ঠের মাধ্যমেই সংরক্ষণ
প্রযুক্তির দুনিয়ায় ফিটনেস ট্র্যাকারের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। তবে এবার প্রচলিত স্মার্টওয়াচ বা ডিসপ্লেসমৃদ্ধ ফিটনেস ব্যান্ডের বাইরে এক ভিন্নধর্মী ডিভাইস নিয়ে এসেছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান লুনা। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে উন্মোচন করা হয়েছে ‘লুনা ব্যান্ড’, যা প্রতিষ্ঠানটির প্রথম স্ক্রিনবিহীন ফিটনেস ট্র্যাকার।
চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত প্রযুক্তি প্রদর্শনী সিইএস ২০২৬-এ প্রথমবার ডিভাইসটির ঝলক দেখানো হয়েছিল। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে এর বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি।
লুনা ব্যান্ডের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর নিজস্ব ‘লাইফওএস’ প্ল্যাটফর্ম। এটি ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন শারীরিক কার্যক্রম, ঘুমের ধরণ, মানসিক চাপ, খাদ্যাভ্যাস, মাসিক চক্র, রক্তের বিভিন্ন সূচক এবং স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ব্যবহারকারীকে দিনের বিভিন্ন সময়ে করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ দেয় এবং হ্যাপটিক অ্যালার্টের মাধ্যমে সতর্ক করে।
ডিভাইসটিতে রয়েছে ভয়েস-ভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। ফলে খাবার গ্রহণ, ব্যায়াম বা অন্যান্য স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য ম্যানুয়ালি টাইপ না করে কণ্ঠের মাধ্যমেই সংরক্ষণ করা যাবে। এছাড়া অ্যাপজুড়ে থাকা ‘আস্ক লুনা’ ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা স্বাস্থ্যবিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্নও করতে পারবেন।
লুনার দাবি, লাইফওএস ব্যবহারকারীদের জন্য নির্দিষ্ট কারণ ও ফলাফলের বিশ্লেষণও দেখাতে সক্ষম। উদাহরণ হিসেবে, বিকেল ৩টার পর ক্যাফেইন গ্রহণ করলে তা গভীর ঘুমের সময় কতটা কমিয়ে দিয়েছে, সে সম্পর্কেও তথ্য দিতে পারবে প্ল্যাটফর্মটি।
এছাড়া ‘হেলথ ক্লোন’ নামের একটি বিশেষ ফিচার ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্যগত তথ্য, বায়োমার্কার ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য সংগ্রহ করে একটি ডিজিটাল স্বাস্থ্য প্রোফাইল তৈরি করবে। ডিভাইসটি বিভিন্ন তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ ও সেবার সঙ্গেও সংযুক্ত করা যাবে।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, জনপ্রিয় ফিটনেস ট্র্যাকার হুপ-এর মতো বার্ষিক সাবস্ক্রিপশন ফি দিতে হবে না। লাইফওএস বিনামূল্যেই ব্যবহার করা যাবে। কালো, সবুজ ও কমলা রঙে পাওয়া যাবে লুনা ব্যান্ড। তবে এখনো এর দাম ঘোষণা করা হয়নি। জুলাই ২০২৬-এর শেষ দিকে আমন্ত্রণভিত্তিক বিক্রি শুরু হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
কেএসকে
What's Your Reaction?