এএসআই বুলবুলের নির্দেশে জেলা পরিষদের সাইনবোর্ড ভাঙচুর করে নদীতে নিক্ষেপ 

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন জায়গার সরকারি সাইনবোর্ড ভাঙচুর করে নদীতে ফেলে দেওয়ার এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) বুলবুল মিয়ার প্রত্যক্ষ নির্দেশে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। জানা গেছে, জেলা পরিষদ কিশোরগঞ্জের মালিকানা দাবি করা একটি কালো রঙের নোটিশ বোর্ড বা সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। সাইনবোর্ডের তথ্য অনুযায়ী করিমগঞ্জ উপজেলা করিমগঞ্জ মৌজা এবং সাবেক দাগ নং: ৯৮২, ৯৮৯,জমির পরিমাণ: ০.৮৩ (একর)। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, সরকারি জমিতে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে আইনি নিয়ম মেনেই এই মালিকানার সাইনবোর্ডটি স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু ক্ষমতার অপব্যবহার করে এএসআই বুলবুল মিয়ার নির্দেশে কিছু স্বার্থান্বেষী মহলকে দিয়ে এই সাইনবোর্ডটি উপড়ে ফেলেন। শুধু ভাঙচুরই নয়, পরবর্তীতে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে সাইনবোর্ডটি নদীতে নিক্ষেপ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, "সরকারি সম্পত্তির সাইনবোর্ড এভাবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একজন কর্মকর্তার নির্দেশে ভেঙে ফেলা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।"। একটি

এএসআই বুলবুলের নির্দেশে জেলা পরিষদের সাইনবোর্ড ভাঙচুর করে নদীতে নিক্ষেপ 

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন জায়গার সরকারি সাইনবোর্ড ভাঙচুর করে নদীতে ফেলে দেওয়ার এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) বুলবুল মিয়ার প্রত্যক্ষ নির্দেশে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

জানা গেছে, জেলা পরিষদ কিশোরগঞ্জের মালিকানা দাবি করা একটি কালো রঙের নোটিশ বোর্ড বা সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। সাইনবোর্ডের তথ্য অনুযায়ী করিমগঞ্জ উপজেলা করিমগঞ্জ মৌজা এবং সাবেক দাগ নং: ৯৮২, ৯৮৯,জমির পরিমাণ: ০.৮৩ (একর)।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, সরকারি জমিতে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে আইনি নিয়ম মেনেই এই মালিকানার সাইনবোর্ডটি স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু ক্ষমতার অপব্যবহার করে এএসআই বুলবুল মিয়ার নির্দেশে কিছু স্বার্থান্বেষী মহলকে দিয়ে এই সাইনবোর্ডটি উপড়ে ফেলেন। শুধু ভাঙচুরই নয়, পরবর্তীতে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে সাইনবোর্ডটি নদীতে নিক্ষেপ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, "সরকারি সম্পত্তির সাইনবোর্ড এভাবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একজন কর্মকর্তার নির্দেশে ভেঙে ফেলা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।"।

একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড এভাবে প্রকাশ্যে ভাঙচুর ও নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় করিমগঞ্জ এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। একজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন আইন অমান্য করার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ ওঠায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।

এ বিষয়ে জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ ও ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে এএসআই বুলবুল মিয়া ও এই ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।

করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমরানুল কবির জানান, এ বিষয়ে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ মামলাটি গ্রহণ করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow