এক টেলিফিল্মে চার প্রজন্ম

বর্তমান সময়ের নাটক, টেলিফিল্মে চরিত্রের খুব একটা বৈচিত্র্য দেখা যায় না। অধিকাংশ নাটকে দুই তিন চরিত্রের খুব বেশি এখন আর দেখা যায় না। তবে বিশেষ কিছু কাজে দেখা মেলে একাধিক চরিত্রের। তেমনি একটি টেলিফিল্ম ‘জোহরা বেগমের ইচ্ছাপত্র’। এতে অভিনয় করেছেন চার প্রজন্মের শিল্পী, যা সচরাচর এখন আর দেখা যায় না। তৌকীর আহমেদের রচনায় টেলিফিল্মটি পরিচালনা করেছেন আরিফ খান। ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্মিত এ টেলিফিল্মে একসঙ্গে পর্দায় দেখা যাবে ফেরদৌসী মজুমদার, আফজাল হোসেন, মামুনুর রশীদ, তৌকীর আহমেদ, দীপা খন্দকার, রওনক হাসান, জাকিয়া বারী মমর মতো তারকাদের। এ টেলিফিল্মের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন পর টেলিভিশনে অভিনয়ে ফিরেছেন ফেরদৌসী মজুমদার, এটি এই প্রযোজনার সবচেয়ে দারুণ দিকগুলোর একটি। বয়সজনিত শারীরিক দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও তার কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও মানসিক দৃঢ়তা পুরো ইউনিটকে অনুপ্রাণিত করেছে। নির্মাতা জানান, প্রতিদিন নিয়ম করে শুটিংয়ে অংশ নেওয়া, চরিত্রে মনোযোগী থাকা এবং নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা—সব মিলিয়ে তিনি যেন আবারও প্রমাণ করেছেন কেন তিনি অভিনয়ের এক জীবন্ত কিংবদন্তি। ফেরদৌসী মজুমদারকে ঘিরে এই টেলিফিল্মের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে

এক টেলিফিল্মে চার প্রজন্ম
বর্তমান সময়ের নাটক, টেলিফিল্মে চরিত্রের খুব একটা বৈচিত্র্য দেখা যায় না। অধিকাংশ নাটকে দুই তিন চরিত্রের খুব বেশি এখন আর দেখা যায় না। তবে বিশেষ কিছু কাজে দেখা মেলে একাধিক চরিত্রের। তেমনি একটি টেলিফিল্ম ‘জোহরা বেগমের ইচ্ছাপত্র’। এতে অভিনয় করেছেন চার প্রজন্মের শিল্পী, যা সচরাচর এখন আর দেখা যায় না। তৌকীর আহমেদের রচনায় টেলিফিল্মটি পরিচালনা করেছেন আরিফ খান। ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্মিত এ টেলিফিল্মে একসঙ্গে পর্দায় দেখা যাবে ফেরদৌসী মজুমদার, আফজাল হোসেন, মামুনুর রশীদ, তৌকীর আহমেদ, দীপা খন্দকার, রওনক হাসান, জাকিয়া বারী মমর মতো তারকাদের। এ টেলিফিল্মের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন পর টেলিভিশনে অভিনয়ে ফিরেছেন ফেরদৌসী মজুমদার, এটি এই প্রযোজনার সবচেয়ে দারুণ দিকগুলোর একটি। বয়সজনিত শারীরিক দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও তার কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও মানসিক দৃঢ়তা পুরো ইউনিটকে অনুপ্রাণিত করেছে। নির্মাতা জানান, প্রতিদিন নিয়ম করে শুটিংয়ে অংশ নেওয়া, চরিত্রে মনোযোগী থাকা এবং নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা—সব মিলিয়ে তিনি যেন আবারও প্রমাণ করেছেন কেন তিনি অভিনয়ের এক জীবন্ত কিংবদন্তি। ফেরদৌসী মজুমদারকে ঘিরে এই টেলিফিল্মের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে আফজাল হোসেন বলেন, ‘মূলত ফেরদৌসী মজুমদারকে সম্মান জানানোর জন্যই আমি এ নাটকটি করার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। উনার সম্মানেই আমরা সবাই মিলে কাজটি করেছি। আমার মনে হয়েছে, উনাকে এ সম্মানটুকু জানানো দরকার। কাজটি করার পর এখন মনে হচ্ছে, আমাদের ইচ্ছাপূরণ হয়েছে।’  বর্তমান সময়ে একটি টেলিছবিতে একসঙ্গে আলোচিত সব শিল্পীকে একত্র করার ঘটনা খুব একটা দেখা যায় না। এমন প্রশ্নে আরিফ খান বলেন, ‘আমি বরাবরই কাজ করার আগে গল্প নিয়ে বেশ সচেতন থাকি। গল্প ঠিক হলে তখন যাদের প্রয়োজন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারাও সানন্দে রাজি হন। অভিনয়শিল্পীরা আস্থা রাখেন, বিশ্বাস করেন—এটাই একজন নির্মাতা হিসেবে বড় প্রাপ্তি। মোটকথা, আমি আমার কাজের ব্যাপারে সৎ থাকি, এতে বাকি সব হয়ে যায়।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow