এক দশকের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমাতে চান নেতানিয়াহু

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার ওপর ইসরায়েলের নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমাতে চান ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) প্রকাশিত ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েলের উচিত বিদেশি সামরিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল না থাকা। তিনি জানান, লক্ষ্য হলো আগামী ১০ বছরের মধ্যে এই সহায়তা কমিয়ে আনা। সাক্ষাৎকারে তাকে জিজ্ঞেস করা হলে, এই সহায়তা কি একেবারে শূন্যে নামিয়ে আনার কথা বলা হচ্ছে—এর উত্তরে নেতানিয়াহু বলেন, হ্যাঁ। নেতানিয়াহু জানান, সাম্প্রতিক এক সফরে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বছরের পর বছর যে সামরিক সহায়তা দিয়েছে, তার জন্য ইসরায়েল গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। তবে তিনি যোগ করেন, এখন ইসরায়েল নিজস্ব সক্ষমতা গড়ে তুলেছে এবং সামরিক দিক থেকে অনেক শক্তিশালী হয়েছে। গত ডিসেম্বর নেতানিয়াহু ঘোষণা দেন, ইসরায়েল নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলতে প্রায় ৩৫০ বিলিয়ন শেকেল বা প্রায় ১১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। এর লক্ষ্য হলো অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের ক্ষেত্রে অন্য দেশের ওপর নির্ভরতা কমানো। ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এক

এক দশকের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমাতে চান নেতানিয়াহু

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার ওপর ইসরায়েলের নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমাতে চান ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) প্রকাশিত ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েলের উচিত বিদেশি সামরিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল না থাকা। তিনি জানান, লক্ষ্য হলো আগামী ১০ বছরের মধ্যে এই সহায়তা কমিয়ে আনা।

সাক্ষাৎকারে তাকে জিজ্ঞেস করা হলে, এই সহায়তা কি একেবারে শূন্যে নামিয়ে আনার কথা বলা হচ্ছে—এর উত্তরে নেতানিয়াহু বলেন, হ্যাঁ।

নেতানিয়াহু জানান, সাম্প্রতিক এক সফরে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বছরের পর বছর যে সামরিক সহায়তা দিয়েছে, তার জন্য ইসরায়েল গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। তবে তিনি যোগ করেন, এখন ইসরায়েল নিজস্ব সক্ষমতা গড়ে তুলেছে এবং সামরিক দিক থেকে অনেক শক্তিশালী হয়েছে।

গত ডিসেম্বর নেতানিয়াহু ঘোষণা দেন, ইসরায়েল নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলতে প্রায় ৩৫০ বিলিয়ন শেকেল বা প্রায় ১১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। এর লক্ষ্য হলো অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের ক্ষেত্রে অন্য দেশের ওপর নির্ভরতা কমানো।

২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একটি ১০ বছরের সামরিক সহায়তা চুক্তি সই করে, যা ২০২৮ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কার্যকর। এই চুক্তির আওতায় ইসরায়েল মোট ৩৮ বিলিয়ন ডলার সহায়তা পাচ্ছে। এর মধ্যে ৩৩ বিলিয়ন ডলার সামরিক সরঞ্জাম কেনার জন্য এবং ৫ বিলিয়ন ডলার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বরাদ্দ।

এদিকে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা খাতেও অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। গত বছর দেশটির প্রতিরক্ষা রপ্তানি ১৩ শতাংশ বেড়েছে। উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সামরিক প্রযুক্তির জন্য বড় বড় আন্তর্জাতিক চুক্তিও সই হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow