এক বছরে ক্রিপ্টো ব্যবসা থেকে ট্রাম্পের আয় ১২০ কোটি ডলার

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালে ক্রিপ্টোকারেন্সি–সংশ্লিষ্ট ব্যবসা থেকে প্রায় ১২০ কোটি ডলার আয় করেছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব গভর্নমেন্ট এথিকস–এর আর্থিক তথ্য প্রকাশে এ তথ্য উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭৮ সালের একটি আইন অনুযায়ী, দেশটির প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্টকে তাদের আয় ও সম্পদের হিসাব প্রকাশ করতে হয়। ৯০০ পৃষ্ঠারও বেশি নথিতে দেখা যায়, ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল নামের একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি স্টার্টআপের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থেকে ট্রাম্প প্রায় ৫৫ কোটি ডলার আয় করেছেন। ট্রাম্প পরিবার ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে চালু হওয়া এই ক্রিপ্টো প্ল্যাটফর্মকে নিজেদের নাম ও সমর্থন দেয়। প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের ডব্লিউএলএফআই নামে একটি ডিজিটাল মুদ্রা চালু করে। এ ছাড়া ট্রাম্প ও তার তিন ছেলে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান ডিটি মার্কস ডিফাই–এর মাধ্যমে অতিরিক্ত ২ হাজার ২৫০ কোটি ডব্লিউএলএফআই টোকেনের মালিকানা পান। ২০২৫ সালের এপ্রিলে ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল ডলারের সঙ্গে মূল্য সংযুক্ত স্টেবলকয়েন বাজারে আনে। ফোর্বস–এর তথ্য অনুযায়ী, ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতে বিনিয়োগের কারণে

এক বছরে ক্রিপ্টো ব্যবসা থেকে ট্রাম্পের আয় ১২০ কোটি ডলার

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালে ক্রিপ্টোকারেন্সি–সংশ্লিষ্ট ব্যবসা থেকে প্রায় ১২০ কোটি ডলার আয় করেছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব গভর্নমেন্ট এথিকস–এর আর্থিক তথ্য প্রকাশে এ তথ্য উঠে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭৮ সালের একটি আইন অনুযায়ী, দেশটির প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্টকে তাদের আয় ও সম্পদের হিসাব প্রকাশ করতে হয়।

৯০০ পৃষ্ঠারও বেশি নথিতে দেখা যায়, ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল নামের একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি স্টার্টআপের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থেকে ট্রাম্প প্রায় ৫৫ কোটি ডলার আয় করেছেন।

ট্রাম্প পরিবার ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে চালু হওয়া এই ক্রিপ্টো প্ল্যাটফর্মকে নিজেদের নাম ও সমর্থন দেয়। প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের ডব্লিউএলএফআই নামে একটি ডিজিটাল মুদ্রা চালু করে।

এ ছাড়া ট্রাম্প ও তার তিন ছেলে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান ডিটি মার্কস ডিফাই–এর মাধ্যমে অতিরিক্ত ২ হাজার ২৫০ কোটি ডব্লিউএলএফআই টোকেনের মালিকানা পান।

২০২৫ সালের এপ্রিলে ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল ডলারের সঙ্গে মূল্য সংযুক্ত স্টেবলকয়েন বাজারে আনে।

ফোর্বস–এর তথ্য অনুযায়ী, ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতে বিনিয়োগের কারণেই ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ প্রায় তিন গুণ বেড়ে ২৩০ কোটি ডলার থেকে ৬৫০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।

তবে প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতে বিনিয়োগের পাশাপাশি ওই খাতের নিয়ন্ত্রণ শিথিল করার বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ উঠেছে। সমালোচকদের মতে, এসব সিদ্ধান্তের ফলে ক্রিপ্টো সম্পদের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল ছাড়াও ট্রাম্প কয়েনবেসসহ ক্রিপ্টো খাতের বিভিন্ন তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শেয়ার থেকেও কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন।

বর্তমানে ট্রাম্পের সম্পদ তার ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের পরিচালিত একটি ট্রাস্টে রাখা রয়েছে। তবে ট্রাস্টের নীতিমালা অনুযায়ী, এটি যেকোনো সময় বিলুপ্ত করা সম্ভব। ফলে দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ট্রাম্প চাইলে আবারও এসব সম্পদের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবেন।

সূত্র: এএফপি

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow