এক বছরের মধ্যেই ধানমন্ডি লেকের দৃশ্যমান পরিবর্তন হবে : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
রাজধানীর লেক, ঝিল ও জলাধারগুলোকে আরও পরিচ্ছন্ন, দৃষ্টিনন্দন ও বাসযোগ্য পরিবেশে রূপ দিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানিয়েছেন, আগামী এক বছরের মধ্যেই ধানমন্ডি লেকের দৃশ্যমান পরিবর্তন হবে এবং হাতিরঝিলের উন্নয়নেও চলছে ধারাবাহিক কার্যক্রম। শনিবার (২৭ জুন) হাতিরঝিল এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর লেকগুলো অব্যবস্থাপনার মধ্যে ছিল। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে ধানমন্ডি লেক সুন্দর একটি লেকে পরিবর্তন হবে। এছাড়া দীর্ঘ এক মাস ধরে হাতিরঝিল লেকে কাজ চলছে, সেটি আমরা পরিদর্শন ও তদারকি করছি। হাতিরঝিলের পরিবেশ আরও উন্নত করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানে লাইটিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। লেকের দুই পাশ মাটি ফেলে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলছে। পাশাপাশি সন্ধ্যার পর যাতে কোনো হকার সেখানে অবস্থান করতে না পারেন, সে জন্য আনসার সদস্য
রাজধানীর লেক, ঝিল ও জলাধারগুলোকে আরও পরিচ্ছন্ন, দৃষ্টিনন্দন ও বাসযোগ্য পরিবেশে রূপ দিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানিয়েছেন, আগামী এক বছরের মধ্যেই ধানমন্ডি লেকের দৃশ্যমান পরিবর্তন হবে এবং হাতিরঝিলের উন্নয়নেও চলছে ধারাবাহিক কার্যক্রম।
শনিবার (২৭ জুন) হাতিরঝিল এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর লেকগুলো অব্যবস্থাপনার মধ্যে ছিল। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে ধানমন্ডি লেক সুন্দর একটি লেকে পরিবর্তন হবে। এছাড়া দীর্ঘ এক মাস ধরে হাতিরঝিল লেকে কাজ চলছে, সেটি আমরা পরিদর্শন ও তদারকি করছি।
হাতিরঝিলের পরিবেশ আরও উন্নত করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানে লাইটিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। লেকের দুই পাশ মাটি ফেলে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলছে। পাশাপাশি সন্ধ্যার পর যাতে কোনো হকার সেখানে অবস্থান করতে না পারেন, সে জন্য আনসার সদস্য মোতায়েনের বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এডিসের যে লার্ভাগুলো পেয়েছি, তা অত্যন্ত ভয়াবহ। রেস্টুরেন্ট, বাসাবাড়ি, কোয়ার্টারে ৫০ শতাংশের বেশি লার্ভা পেয়েছি।
স্কুল-কলেজে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতি শনিবার উপজেলা পর্যায়ে সব স্কুল-কলেজ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। জাতীয় পর্যায়েও এ বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
দেশকে আরও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার লক্ষ্য তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, আমরা বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না। কিন্তু আমরা বসবাসযোগ্য বানাতে চাই।
What's Your Reaction?