এক রাতে ছয় কৃষকের ১১টি গরু চুরি, দিশেহারা খামারিরা

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় সংঘবদ্ধ চোরচক্রের তৎপরতায় এক রাতে ছয় কৃষকের গোয়ালঘর থেকে ১১টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখের প্রথম প্রহরের শেষ রাতে উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নে এই চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুম্বাইল গ্রামের মৃত সুরুজ আলীর পুত্র কামাল হোসেন (৪০) বাদী হয়ে গৌরীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। গরু চুরি ঠেকাতে কৃষকরা গোয়ালঘরে রাত্রিযাপন করেও তাদের গরু রক্ষা করতে পারছে না বলে জানা গেছে।এ প্রসঙ্গে গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুল হাসান জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল পুলিশ পরিদর্শন করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও চোরাইকৃত গরু উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে।এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নের পুম্বাইল গ্রামে মঙ্গলবার ভোর ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে গরু চোরেরা কামাল হোসেনের গোয়ালঘর থেকে প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের ২টি গাভী নিয়ে যায়। একই রাতে পুম্বাইল গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের পুত্র মোস্তফা মিয়ার গোয়ালঘর থেকে ১ লাখ টাকা মূল্যের একটি ষাঁড় গরু, তার ভাই ওমর ফারুকের গোয়ালঘর থেকে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি ষাঁড় গরু ও একটি গাভী গরু, মৃত হাসান আলীর পুত্র

এক রাতে ছয় কৃষকের ১১টি গরু চুরি, দিশেহারা খামারিরা

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় সংঘবদ্ধ চোরচক্রের তৎপরতায় এক রাতে ছয় কৃষকের গোয়ালঘর থেকে ১১টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখের প্রথম প্রহরের শেষ রাতে উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নে এই চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুম্বাইল গ্রামের মৃত সুরুজ আলীর পুত্র কামাল হোসেন (৪০) বাদী হয়ে গৌরীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। গরু চুরি ঠেকাতে কৃষকরা গোয়ালঘরে রাত্রিযাপন করেও তাদের গরু রক্ষা করতে পারছে না বলে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুল হাসান জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল পুলিশ পরিদর্শন করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও চোরাইকৃত গরু উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নের পুম্বাইল গ্রামে মঙ্গলবার ভোর ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে গরু চোরেরা কামাল হোসেনের গোয়ালঘর থেকে প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের ২টি গাভী নিয়ে যায়। একই রাতে পুম্বাইল গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের পুত্র মোস্তফা মিয়ার গোয়ালঘর থেকে ১ লাখ টাকা মূল্যের একটি ষাঁড় গরু, তার ভাই ওমর ফারুকের গোয়ালঘর থেকে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি ষাঁড় গরু ও একটি গাভী গরু, মৃত হাসান আলীর পুত্র আব্দুল আজিজের গোয়ালঘর থেকে প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের ২টি গাভী গরু, বিশ্বনাথপুর গ্রামের মৃত মতিউর রহমান ফকিরের পুত্র মোজাম্মেল হকের গোয়ালঘর থেকে ৬০ হাজার টাকা মূল্যের একটি গাভী গরু নিয়ে যায়।

বিশ্বনাথপুর গ্রামের মো. ইব্রাহিম হোসেনের পুত্র নবী হোসেন জানান, গোয়ালের গরু রক্ষা করতে তারা এখন গোয়ালঘরে রাত্রিযাপন করেন। অনেকের মধ্যরাত পর্যন্ত গোয়ালে থাকতে হয়। চোরেরা বিশেষ কৌশলে গরু নিয়ে যাচ্ছে।

অপরদিকে একই রাতে রামগোপালপুর ইউনিয়নের গাঁওরামগোপালপুর গ্রামের মৃত জিলফত আলীর পুত্র আব্দুল হেলিমের প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা মূল্যের ৩টি গরু চুরি হয়েছে। একই ইউনিয়নে কিছুদিন পূর্বে বিশ্বনাথপুরের আব্দুল গনির পুত্র শহিদুল ইসলামের প্রায় ৫ লাখ টাকা মূল্যের ২টি ষাঁড় গরু, ১টি বকনা বাছুর ও একটি গাভী গরু, পুম্বাইল গ্রামের মামুন মিয়ার প্রায় এক লাখ টাকা মূল্যের একটি ষাঁড় বাছুর, মৃত আবুল কাশেমের পুত্র হাবিবুর রহমানের একটি ষাঁড় গরু ও ৫টি বকনা বাছুর চুরির ঘটনা ঘটে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow