এক সপ্তাহে দ্বিতীয়বার ব্ল্যাকআউটে কিউবা

এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো দেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে কিউবা। শুক্রবার (১১ জুলাই) স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পুরো দ্বীপজুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। খবর আলজাজিরার। রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ সংস্থা ইউনিয়ন ইলেক্ট্রিকা দে কিউবা জানায়, হঠাৎ করেই জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে বিপর্যয় দেখা দেয়। তবে এর নির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি। এর আগে গত সোমবারও একই ধরনের দেশব্যাপী ব্ল্যাকআউট হয়েছিল। চলতি বছরে এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো পুরো কিউবা অন্ধকারে ডুবে গেল। কিউবার পুরোনো বিদ্যুৎ অবকাঠামো এবং তীব্র জ্বালানি সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। দেশটির অধিকাংশ বিদ্যুৎকেন্দ্র ১৯৬০ থেকে ১৯৮০ সালের মধ্যে নির্মিত। চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবার জ্বালানি সরবরাহে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। ভেনেজুয়েলা থেকে কিউবায় তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং যেসব দেশ কিউবায় জ্বালানি পাঠাবে, তাদের ওপরও শুল্ক আরোপের হুমকি দেয় ওয়াশিংটন। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) তথ্য অনুযায়ী, কিউবা নিজেদের প্রয়োজনীয় জ্বালানির মাত্র ৪০ শতাংশ উৎপাদন করতে পারে। বাকি অংশ বিদেশ থেকে আম

এক সপ্তাহে দ্বিতীয়বার ব্ল্যাকআউটে কিউবা

এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো দেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে কিউবা। শুক্রবার (১১ জুলাই) স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পুরো দ্বীপজুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। খবর আলজাজিরার।

রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ সংস্থা ইউনিয়ন ইলেক্ট্রিকা দে কিউবা জানায়, হঠাৎ করেই জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে বিপর্যয় দেখা দেয়। তবে এর নির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।

এর আগে গত সোমবারও একই ধরনের দেশব্যাপী ব্ল্যাকআউট হয়েছিল। চলতি বছরে এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো পুরো কিউবা অন্ধকারে ডুবে গেল।

কিউবার পুরোনো বিদ্যুৎ অবকাঠামো এবং তীব্র জ্বালানি সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। দেশটির অধিকাংশ বিদ্যুৎকেন্দ্র ১৯৬০ থেকে ১৯৮০ সালের মধ্যে নির্মিত।

চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবার জ্বালানি সরবরাহে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। ভেনেজুয়েলা থেকে কিউবায় তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং যেসব দেশ কিউবায় জ্বালানি পাঠাবে, তাদের ওপরও শুল্ক আরোপের হুমকি দেয় ওয়াশিংটন।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) তথ্য অনুযায়ী, কিউবা নিজেদের প্রয়োজনীয় জ্বালানির মাত্র ৪০ শতাংশ উৎপাদন করতে পারে। বাকি অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক সম্প্রতি সতর্ক করে বলেন, জ্বালানি সংকট ও নিষেধাজ্ঞার কারণে কিউবার সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। চিকিৎসাসামগ্রী ও ওষুধের সংকটে শিশুমৃত্যুর হারও বেড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দাবি করেছেন, কিউবার বিদ্যুৎ সংকটের জন্য ওয়াশিংটনের নীতি নয়, দেশটির সরকারের দুর্বল ব্যবস্থাপনাই দায়ী।

এদিকে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে কিউবা সৌরবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। তবে বর্তমানে দেশটির মোট জ্বালানি ব্যবহারের মাত্র ১৮ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসে। ২০৩০ সালের মধ্যে এ হার প্রায় ২৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে হাভানা।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow