এক সপ্তাহের মধ্যে ইরান-মার্কিন চুক্তি হতে পারে: জেডি ভ্যান্স

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনা কয়েক মাস পর্যন্ত চলতে পারে আবার এক সপ্তাহের মধ্যেও সমঝোতা হতে পারে। বুধবার (১০ জুন) এমন মন্তব্য করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, আমার মনে হয় আমরা এমন একটি চুক্তির কাছাকাছি অবস্থানে আছি যা অর্থনৈতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো হবে এবং একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়টি কার্যকরভাবে মোকাবিলা করবে। শুধু এখন নয়, শুধু ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময়ের জন্য নয় বরং দীর্ঘমেয়াদে এমনভাবে যাতে আমার সন্তানরা বড় হয়ে বলতে পারে-ইরান পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না। এটাই আমাদের নীতির লক্ষ্য এবং আমরা সেই লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি। তবে, এখনও কিছু কাজ বাকি রয়েছে এবং আমরা তা চালিয়ে যাব। তিনি আরও বলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচন (মিডটার্ম) হওয়ার আগেই আমরা অনেক কিছু জানতে পারব। চুক্তি আগামী সপ্তাহেই হতে পারে, আবার কয়েক মাস পরেও হতে পারে। ভ্যান্সের বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, ওয়াশিংটন প্রশাসন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও

এক সপ্তাহের মধ্যে ইরান-মার্কিন চুক্তি হতে পারে: জেডি ভ্যান্স

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনা কয়েক মাস পর্যন্ত চলতে পারে আবার এক সপ্তাহের মধ্যেও সমঝোতা হতে পারে। বুধবার (১০ জুন) এমন মন্তব্য করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, আমার মনে হয় আমরা এমন একটি চুক্তির কাছাকাছি অবস্থানে আছি যা অর্থনৈতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো হবে এবং একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়টি কার্যকরভাবে মোকাবিলা করবে। শুধু এখন নয়, শুধু ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময়ের জন্য নয় বরং দীর্ঘমেয়াদে এমনভাবে যাতে আমার সন্তানরা বড় হয়ে বলতে পারে-ইরান পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না। এটাই আমাদের নীতির লক্ষ্য এবং আমরা সেই লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি। তবে, এখনও কিছু কাজ বাকি রয়েছে এবং আমরা তা চালিয়ে যাব।

তিনি আরও বলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচন (মিডটার্ম) হওয়ার আগেই আমরা অনেক কিছু জানতে পারব। চুক্তি আগামী সপ্তাহেই হতে পারে, আবার কয়েক মাস পরেও হতে পারে।

ভ্যান্সের বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, ওয়াশিংটন প্রশাসন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী সমাধানের দিকে নজর দিচ্ছে। তবে, আলোচনার অগ্রগতি সত্ত্বেও এখনও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চূড়ান্ত হওয়া বাকি রয়েছে

ইরানের দাবি অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সংঘাতে মোট ৩ হাজার ৩৭৫ জন নিহত হন, যার মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ এবং ৪৯৬ জন নারী। এছাড়া জরুরি চিকিৎসা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধে ১১৮ জন চিকিৎসাকর্মী আহত হন এবং ২৬ জন নিহত হন।

কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow