‘একটার দাম কমলে অন্য পাঁচটা জিনিসের দাম বেড়ে যায়’
খুলনা গত সপ্তাহে বৃষ্টির কারণে সবজি বাজারে দাম ছিল ঊর্ধ্বমুখী। তবে চলতি সপ্তাহে বৃষ্টি কমলেও সবজির দাম কমেনি। আগের মতোই রয়েছে অন্যান্য জিনিসের দাম। রোববার (১৬ আগস্ট) খুলনা মহানগরীর মিস্ত্রিপাড়া বাজার, নিউ মার্কেট বাজার ও নতুন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, পেঁপে ৪০-৫০ টাকা কেজি, গোল বেগুন ৬০-৭০, করলা ৮০-১০০, চাল কুমড়া প্রতিটি ৫০-৬০, লাউ প্রতিটি আকারভেদে ৫০-৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০-৬০ টাকা কেজি, পটল ৬০, কচুর লতি ৪০-৫০ এবং ধুন্দল ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের দাম গত সপ্তাহে ৩০০ টাকা ছিল। এ সপ্তাহে কেজি ২০০ টাকা। তবে পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়, বড় রসুনের কেজি ১০০-১২০ টাকা এবং আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা কেজি। বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৮০-১৯০ টাকা কেজি, সোনালি ২৪০ ও লেয়ার ২৩০-২৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে গরুর মাংস ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে রুই আকারভেদে ২২০-২৫০ টাকা, ভেটকি মাছ আকারভেদে ৫০০-৬০০ টাকা কেজি, চন্দনা ইলিশ ২৭০-৩০০, পাবদা মাছ ৩৫০-৪০০, চিংড়ি ৫০০-৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয
খুলনা গত সপ্তাহে বৃষ্টির কারণে সবজি বাজারে দাম ছিল ঊর্ধ্বমুখী। তবে চলতি সপ্তাহে বৃষ্টি কমলেও সবজির দাম কমেনি। আগের মতোই রয়েছে অন্যান্য জিনিসের দাম।
রোববার (১৬ আগস্ট) খুলনা মহানগরীর মিস্ত্রিপাড়া বাজার, নিউ মার্কেট বাজার ও নতুন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, পেঁপে ৪০-৫০ টাকা কেজি, গোল বেগুন ৬০-৭০, করলা ৮০-১০০, চাল কুমড়া প্রতিটি ৫০-৬০, লাউ প্রতিটি আকারভেদে ৫০-৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০-৬০ টাকা কেজি, পটল ৬০, কচুর লতি ৪০-৫০ এবং ধুন্দল ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের দাম গত সপ্তাহে ৩০০ টাকা ছিল। এ সপ্তাহে কেজি ২০০ টাকা। তবে পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়, বড় রসুনের কেজি ১০০-১২০ টাকা এবং আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা কেজি।
বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৮০-১৯০ টাকা কেজি, সোনালি ২৪০ ও লেয়ার ২৩০-২৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে গরুর মাংস ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারে রুই আকারভেদে ২২০-২৫০ টাকা, ভেটকি মাছ আকারভেদে ৫০০-৬০০ টাকা কেজি, চন্দনা ইলিশ ২৭০-৩০০, পাবদা মাছ ৩৫০-৪০০, চিংড়ি ৫০০-৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া ১৩০-১৬০ টাকা, পাবদা ৩০০-৩৫০, পাঙাশ ১৬০-১৮০, কাতল ২৪০-২৫০ এবং ছোট মাছ ৩০০-৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃষ্টিতে সব ধরনের সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বাজারে সবজি উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় পর্যায় থেকে সবজি আসা শুরু করলে দাম আরও কমে যাবে। কাঁচামরিচের দাম প্রায় ১০০ টাকা কেজিতে কমেছে।
নতুন বাজারের সবজি ব্যবসায়ী নূর শেখ বলেন, খুলনার বাজারগুলোতে স্থানীয় পর্যায়ের সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। কাঁচামরিচের সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় দাম অনেকটা কমেছে। তবে পেঁপে, কুমড়া ও করোল্লা জাতীয় সবজির ঘাটতি থাকায় দাম কিছুটা বেড়েছে।
নিউমার্কেট বাজারের খুচরা সবজি বিক্রেতা দিজু মিয়া বলেন, কাঁচামরিচের দাম কম রয়েছে। কিছু কিছু সবজির দাম ৫ থেকে ১০ টাকা কমে গেছে। এ সপ্তাহে বৃষ্টি না হলে দাম আরও কমে যাবে।
মাছ বিক্রেতা মনির বলেন, মাছের দাম আর কমার সম্ভাবনা নেই। মাছের খাবারের দাম অনেক বেড়েছে। আবার পরিবহন খরচও বেড়েছে। সব মিলিয়ে মাছের বাজার এখন ঠিক আছে। খুচরা বিক্রি করে আহামরি লাভ হয় না। আবার বাজারে খদ্দেরও কম।
বাজারে আসা ক্রেতা মিলকন হাসান বলেন, কাঁচামরিচের দাম এ সপ্তাহে অনেক কম দেখছি। তবে কুমড়ার দাম অনেক বেশি। ষাট টাকার নিচে কেউ কেজি বিক্রি করতে চাচ্ছে না। তবে পেঁয়াজ-রসুনের দাম অনেক কম।
অন্য একজন ক্রেতা আশেখ হোসেন বলেন, বাজারে কোনো ভারসাম্য নেই। একটার দাম কমলে অন্য পাঁচটা জিনিসের দাম বেড়ে যায়। হিসাব করে টাকা আনলে বাজার করে যাওয়া যায় না। তবে সবজির দাম কিছুটা বেশি। বয়লার মুরগির দাম কম রয়েছে, আবার দেশি মুরগির দাম অনেক বেশি। তবে মাছ বাজারেও কিছু কিছু মাছের দাম তুলনামূলক অনেক বেশি। সব কিছুতেই সামঞ্জস্য থাকলে বাজার করে শান্তি পাওয়া যায়।
আরিফুর রহমান/কেজে/জেআইএম
What's Your Reaction?