একটি অলিখিত স্বাক্ষর বাসনা
সময়ের দামেই সময়কে কিনেছিলাম, পেয়েছি অঢেল অলস করা কিছু ঋণ, বেশ কিছু অবচয়িত ক্ষণ। তবুও অসংখ্য অপচয়ের শব্দ থেকে ধার নিয়েছি আরও কিছুটা সময়। ক্যামোফ্ল্যাজি মগ্নতার জ্বলজ্বলে আকর্ষণ থেকে ধার নিয়েছি কাঁচা কাঁচা হলুদ ঋণ, আর সময় ও সুযোগের কাছ থেকে ধার নিয়েছি ঘনব্যুহ নিঃসঙ্গতা দূরীকরণের ম্যাজিক মোমবাতি, তা-ই দিয়ে ভরেছি আলোয় আলোয় আমার চারিপাশময়। আঁধারবাসিনী নই আমি আজ আর! ফিরেছি আবারো তোমাদের পঙ্কজপালিত সমাজের পঙ্গু-পাংশুল ময়দানে। কী বীভৎস রঙিন সব সং-এর বাড়াবাড়ি! যদিও লুকিয়ে ফেলেছি নগ্ন চঞ্চল হাতের আঙুল আমার, হাতে রাখা প্রিয় খোলা কলম, উদোম কাগজও। চোখ থেকে সরিয়ে নিয়েছি ভারী লেন্সের চশমাটাও। অভিমানে নয়, আহতযাতনায়। যে যাই বলে বলুক, যার যতো বায়না আছে থাকুক পড়ে একপাশ। যাবো না কারোর প্রশ্নবাণের জবাবদিহিতার উঠোনে। আজ থেকে আর লিখবো না কিছুই। না কোনো ইতিহাস, না কোনো গল্পকথা, না কোনো রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজনীতির প্যাঁচপ্যাঁচে ডার্টি সংলাপ, না কোনো বর্ণ-ধর্মের আজন্ম বাড়াবাড়ির পাপের বিলাপ আর না কোনো প্রেম-প্রণয়ের আদি-অনাদি কথাও! ঝরে যাক, সরে যাক, পড়ে থাক মুখ বুজে সব–সব কিছুই। না না, কবিতার সাথে আড়ি নয়
সময়ের দামেই সময়কে কিনেছিলাম, পেয়েছি অঢেল অলস করা কিছু ঋণ, বেশ কিছু অবচয়িত ক্ষণ। তবুও অসংখ্য অপচয়ের শব্দ থেকে ধার নিয়েছি আরও কিছুটা সময়। ক্যামোফ্ল্যাজি মগ্নতার জ্বলজ্বলে আকর্ষণ থেকে ধার নিয়েছি কাঁচা কাঁচা হলুদ ঋণ, আর সময় ও সুযোগের কাছ থেকে ধার নিয়েছি ঘনব্যুহ নিঃসঙ্গতা দূরীকরণের ম্যাজিক মোমবাতি, তা-ই দিয়ে ভরেছি আলোয় আলোয় আমার চারিপাশময়। আঁধারবাসিনী নই আমি আজ আর! ফিরেছি আবারো তোমাদের পঙ্কজপালিত সমাজের পঙ্গু-পাংশুল ময়দানে।
কী বীভৎস রঙিন সব সং-এর বাড়াবাড়ি!
যদিও লুকিয়ে ফেলেছি নগ্ন চঞ্চল হাতের আঙুল আমার, হাতে রাখা প্রিয় খোলা কলম, উদোম কাগজও। চোখ থেকে সরিয়ে নিয়েছি ভারী লেন্সের চশমাটাও। অভিমানে নয়, আহতযাতনায়।
যে যাই বলে বলুক, যার যতো বায়না
আছে থাকুক পড়ে একপাশ। যাবো না কারোর প্রশ্নবাণের জবাবদিহিতার উঠোনে।
আজ থেকে আর লিখবো না কিছুই। না কোনো ইতিহাস, না কোনো গল্পকথা, না কোনো রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজনীতির প্যাঁচপ্যাঁচে ডার্টি সংলাপ, না কোনো বর্ণ-ধর্মের আজন্ম বাড়াবাড়ির পাপের বিলাপ আর না কোনো প্রেম-প্রণয়ের আদি-অনাদি কথাও! ঝরে যাক, সরে যাক, পড়ে থাক মুখ বুজে সব–সব কিছুই।
না না, কবিতার সাথে আড়ি নয় কিন্তু তা আমার। অতি চেষ্টায়ও তা করে উঠতে পারিনি। অবতার নই আমি, তবুও পণ করেছি নীরবতার। মানুষের সঙ্গ ছেড়ে ঈশ্বরের মতোই শুধু একাকী থাকবো বলে।
মসৃণ এক বিমর্ষতার হিমজলে ভেজাবো নিজেকে আজন্মকাল, ভেজাতেই থাকবো, ভেজাতেই থাকবো। আর তারপর...
গর্ভবতী সময়ের কোলে ধীরে ধীরে সূর্যটা ডুবে যাবার কালে এমনই কোনো এক বসন্তদিনে–
আমিও রাত হবো একদিন, ভীষণই অমাময় এক রাত...জোছনাময় শ্বেতস্নিগ্ধ বসন ছেড়ে অমারাতের আঁধারের মতো বুনো ভালোবাসার গন্ধ নেবো সেদিন...মন ভরে, শ্বাস জুড়ে।
লোকে আমায় তখন হয়তো বোকা বলে ভাববে!
ভাবুক শত, ক্ষতি কি?
তবুও সেদিনের জন্যে ভারি বোকা হবার
ইচ্ছেটাই তুলে রাখলাম।
আবার, হ্যাঁ, আবারো অপেক্ষার মধু মাস পেরিয়ে কোনো এক কার্বন ভোরে বোকার খোলস ছেড়ে না হয় পরিণত হবো ভীষণ–সেদিন...
আগের মতো করে; ফেলে আসা রাত ভুলে জাগবো সলাজে কচি সোনা ভোরবেলায়,
স্বাক্ষর করবো না হয় আবারো তখন দিনলিপির নতুন এক পাতায়...
What's Your Reaction?