একটি আত্মহত্যা ও দুর্নীতির কালো বিড়াল 

একটি ঝুলন্ত মরদেহ, প্রায় ৮৫ লাখ টাকার লেনদেনের অভিযোগ এবং তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি- সিরাজগঞ্জের সায়দাবাদ পাওয়ার প্লান্ট ফায়ার স্টেশনের গাড়িচালক মো. সিহাব উদ্দিনের মৃত্যুকে ঘিরে যেন একের পর এক প্রশ্ন সামনে আসছে।  পরিবারের অভিযোগ, চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তাকে বিপুল অর্থ দেওয়ার পর চাকরি না হওয়া এবং টাকা ফেরত না পাওয়ায় পাওনাদারদের চাপে চরম হতাশায় ভুগছিলেন সিহাব।  শেষ পর্যন্ত গত ১৯ জুলাই কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার হয় তার ঝুলন্ত মরদেহ। কিন্তু ঘটনা নিয়ে ফায়ার সার্ভিসের নিজস্ব তদন্ত বলছে ভিন্ন কথা-অভিযোগের সত্যতা মেলেনি সেখানে।  তাহলে সিহাবের মৃত্যুর নেপথ্যে আসলে কী ছিল? ৮৫ লাখ টাকার অভিযোগের সেই ‘কালো বিড়াল’ই বা কোথায়? ফায়ার সার্ভিসের সবচেয়ে আলোচিত এই ঘটনা ঘিরে সিহাবের পরিবারের অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেসব সংবাদসূত্রে জানা যায়, কয়েকজনের চাকরির জন্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তাকে সিহাব প্রায় ৮৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু চাকরি না হওয়া এবং ওই কর্মকর্তা টাকা ফেরত না দিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।  ফলে পাওনাদারদের চাপে ও তী

একটি আত্মহত্যা ও দুর্নীতির কালো বিড়াল 
একটি ঝুলন্ত মরদেহ, প্রায় ৮৫ লাখ টাকার লেনদেনের অভিযোগ এবং তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি- সিরাজগঞ্জের সায়দাবাদ পাওয়ার প্লান্ট ফায়ার স্টেশনের গাড়িচালক মো. সিহাব উদ্দিনের মৃত্যুকে ঘিরে যেন একের পর এক প্রশ্ন সামনে আসছে।  পরিবারের অভিযোগ, চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তাকে বিপুল অর্থ দেওয়ার পর চাকরি না হওয়া এবং টাকা ফেরত না পাওয়ায় পাওনাদারদের চাপে চরম হতাশায় ভুগছিলেন সিহাব।  শেষ পর্যন্ত গত ১৯ জুলাই কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার হয় তার ঝুলন্ত মরদেহ। কিন্তু ঘটনা নিয়ে ফায়ার সার্ভিসের নিজস্ব তদন্ত বলছে ভিন্ন কথা-অভিযোগের সত্যতা মেলেনি সেখানে।  তাহলে সিহাবের মৃত্যুর নেপথ্যে আসলে কী ছিল? ৮৫ লাখ টাকার অভিযোগের সেই ‘কালো বিড়াল’ই বা কোথায়? ফায়ার সার্ভিসের সবচেয়ে আলোচিত এই ঘটনা ঘিরে সিহাবের পরিবারের অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেসব সংবাদসূত্রে জানা যায়, কয়েকজনের চাকরির জন্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তাকে সিহাব প্রায় ৮৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু চাকরি না হওয়া এবং ওই কর্মকর্তা টাকা ফেরত না দিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।  ফলে পাওনাদারদের চাপে ও তীব্র হতাশায় সিহাব গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। যদিও অধিদপ্তরের নিজস্ব তদন্তে এ ঘটনার সত্যতা মেলেনি বলে জানা গেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow