একটি দল হ্যাঁ ভোটের বিজয়ের কথা বলে না : জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা জামায়াতের বিজয় চাই না। আমরা বিজয় চাই, দেশের ১৮ কোটি মানুষের। আমরা হ্যাঁ ভোটের বিজয় চাই। কিন্তু একটি দল হ্যাঁ ভোটের বিজয়ের কথা বলে না, নিচু স্বরে হ্যাঁ ভোট চায়।  রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জামালপুর সিংহজানী হাইস্কুল মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা দুটো ভোট চাই, প্রথম গণভোটে হ্যাঁ ও দ্বিতীয় দাঁড়িপাল্লায়। ছাত্র-জনতা কেন রাস্তায় নেমেছিল? কেন তারা রক্ত দিয়েছে? তারা ন্যায় ও ইনসাফ কায়েমের জন্য রক্ত দিয়েছে। গুম, খুন, হত্যার রাজনীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য আবু সাঈদ, মুগ্ধ, আবরার ফাহাদরা জীবন দিয়েছে। তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি কীসের নির্বাচন? এই নির্বাচন ১৪০০ শহীদের রক্তের বিনিময়ে ইনসাফের নির্বাচন। এই নির্বাচন আয়না ঘরের অন্ধকার যুগের অবসানের নির্বাচন, শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাহাকার বিদায়ের নির্বাচন, এই নির্বাচন ৫৪ বছরের বস্তা পচা শাসনব্যবস্থা ও ফ্যাসিবাদ বিদায়ের নির্বাচন। জামায়াত আমির বলেন, আমাদের ভোট দিলে আমরা যদি সর

একটি দল হ্যাঁ ভোটের বিজয়ের কথা বলে না : জামায়াত আমির
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা জামায়াতের বিজয় চাই না। আমরা বিজয় চাই, দেশের ১৮ কোটি মানুষের। আমরা হ্যাঁ ভোটের বিজয় চাই। কিন্তু একটি দল হ্যাঁ ভোটের বিজয়ের কথা বলে না, নিচু স্বরে হ্যাঁ ভোট চায়।  রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জামালপুর সিংহজানী হাইস্কুল মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা দুটো ভোট চাই, প্রথম গণভোটে হ্যাঁ ও দ্বিতীয় দাঁড়িপাল্লায়। ছাত্র-জনতা কেন রাস্তায় নেমেছিল? কেন তারা রক্ত দিয়েছে? তারা ন্যায় ও ইনসাফ কায়েমের জন্য রক্ত দিয়েছে। গুম, খুন, হত্যার রাজনীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য আবু সাঈদ, মুগ্ধ, আবরার ফাহাদরা জীবন দিয়েছে। তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি কীসের নির্বাচন? এই নির্বাচন ১৪০০ শহীদের রক্তের বিনিময়ে ইনসাফের নির্বাচন। এই নির্বাচন আয়না ঘরের অন্ধকার যুগের অবসানের নির্বাচন, শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাহাকার বিদায়ের নির্বাচন, এই নির্বাচন ৫৪ বছরের বস্তা পচা শাসনব্যবস্থা ও ফ্যাসিবাদ বিদায়ের নির্বাচন। জামায়াত আমির বলেন, আমাদের ভোট দিলে আমরা যদি সরকার গঠন করতে পারি তাহলে কাউকে আর্থিক সহযোগিতা দেব না, কার্ড দেওয়ার নামে কাউকে ছোট করব না। আমরা প্রত্যেক সামর্থ্যবান ব্যাক্তিকে কাজের সুযোগ করে দেব। তিনি বলেন, আমরা ক্ষমতায় গেলে জামালপুরের নদী ভাঙন রোধ, অর্থনৈতিক অঞ্চলে কাজের সুযোগ, ডাবল লাইনের রেল, নকশীপল্লীতে মা-বোনদের কাজের সুযোগ তৈরিসহ জামালপুরের মানুষের সব গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা পূরণে কাজ করবে। তিনি আরও বলেন, পুলিশ, বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সব চাকরিজীবীদের তাদের কর্মঘণ্টাসহ ন্যায্য বেতনভাতা নিশ্চিত করা হবে যদি জামায়াত সরকার গঠন করে। এ সময় ডা. শফিকুর রহমান জামালপুরের পাঁচটি আসনে জামায়াতের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের হাতে দাঁড়িপাল্লা তুলে দেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য জামালপুর-১ আসনের জামায়াতের প্রার্থী অ্যাড. নাজমুল হক সাঈদী। জামালপুর- ৫ আসনের প্রার্থী ও জেলা আমির মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে, জামালপুর-৪ আসনের প্রার্থী ও জেলা সেক্রেটারি আব্দুল আউয়ালের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন জামালপুর-৩ আসনের প্রার্থী মাওলানা মুজিবুর রহমান আজাদী এবং জামালপুর-২ আসনের প্রার্থী সামিউল হক ফারুকীসহ অন্যরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow