একযুগ আগে মেসির সেই গোল আজও চোখে লেগে আছে

ফুটবল ইতিহাসে কিছু গোল আছে, যেগুলো শুধুই গোল নয়- যেন এক একটি শিল্পকর্ম। ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির করা ইরানের বিপক্ষে সেই শেষ মুহূর্তের গোলও ঠিক তেমনই এক মহাকাব্যিক মুহূর্ত। বেলো হরাইজন্তের ঐতিহাসিক মিনেইরো স্টেডিয়ামে তখন সময় গড়িয়ে ম্যাচের যোগ করা মিনিটের খেলা চলছিল। পুরো ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত রক্ষণে আর্জেন্টিনাকে আটকে রেখেছিল ইরান। মনে হচ্ছিল, বিশ্বকাপের অন্যতম বড় অঘটন ঘটাতে যাচ্ছে ‘টিম মেল্লি’। কিন্তু ফুটবল যখন লিওনেল মেসির পায়ে থাকে, তখন অসম্ভবও সম্ভব হয়ে যায়। খেলা তখন গোলশূন্যভাবে শেষের দিকে যাচ্ছিল। ৯০+১ মিনিটে সৃষ্টি হলো সেই জাদুকরী মুহূর্তের। বক্সের বাইরে বল পেয়ে ডান দিক থেকে ভেতরে কাট করেন মেসি। সামনে ছিলেন ইরানি ফরোয়ার্ড রেজা গুচানেজাদ। বক্সের বাইরে থেকে ক্ষণিকের ফাঁক তৈরি করেই বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। আলিরেজা হাঘিঘি ডাইভ দিলেও কিছুই করার ছিল না। বল সোজা গিয়ে জড়ায় পোস্টের ভেতরের কোণে। এক মুহূর্তে স্তব্ধ হয়ে যায় ইরান। আর উল্লাসে ফেটে পড়ে আর্জেন্টিনা। গোলটি শুধু ম্যাচ জেতায়নি, বিশ্বকাপের নকআউট পর্বও নিশ্চিত করে দিয়েছিল আলবিসেলেস্তেদের।

একযুগ আগে মেসির সেই গোল আজও চোখে লেগে আছে

ফুটবল ইতিহাসে কিছু গোল আছে, যেগুলো শুধুই গোল নয়- যেন এক একটি শিল্পকর্ম। ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির করা ইরানের বিপক্ষে সেই শেষ মুহূর্তের গোলও ঠিক তেমনই এক মহাকাব্যিক মুহূর্ত।

বেলো হরাইজন্তের ঐতিহাসিক মিনেইরো স্টেডিয়ামে তখন সময় গড়িয়ে ম্যাচের যোগ করা মিনিটের খেলা চলছিল। পুরো ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত রক্ষণে আর্জেন্টিনাকে আটকে রেখেছিল ইরান। মনে হচ্ছিল, বিশ্বকাপের অন্যতম বড় অঘটন ঘটাতে যাচ্ছে ‘টিম মেল্লি’। কিন্তু ফুটবল যখন লিওনেল মেসির পায়ে থাকে, তখন অসম্ভবও সম্ভব হয়ে যায়।

খেলা তখন গোলশূন্যভাবে শেষের দিকে যাচ্ছিল। ৯০+১ মিনিটে সৃষ্টি হলো সেই জাদুকরী মুহূর্তের। বক্সের বাইরে বল পেয়ে ডান দিক থেকে ভেতরে কাট করেন মেসি। সামনে ছিলেন ইরানি ফরোয়ার্ড রেজা গুচানেজাদ। বক্সের বাইরে থেকে ক্ষণিকের ফাঁক তৈরি করেই বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। আলিরেজা হাঘিঘি ডাইভ দিলেও কিছুই করার ছিল না। বল সোজা গিয়ে জড়ায় পোস্টের ভেতরের কোণে।

এক মুহূর্তে স্তব্ধ হয়ে যায় ইরান। আর উল্লাসে ফেটে পড়ে আর্জেন্টিনা। গোলটি শুধু ম্যাচ জেতায়নি, বিশ্বকাপের নকআউট পর্বও নিশ্চিত করে দিয়েছিল আলবিসেলেস্তেদের।

ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনা কোচ আলেহান্দ্রো সাবেয়া ইরানের প্রশংসা করতে কার্পণ্য করেননি। তিনি বলেন, ‘ইরান অসাধারণ খেলেছে এবং তারা যে দুর্দান্ত দল, সেটা প্রমাণ করেছে। তারা আমাদের জন্য জীবন কঠিন করে তুলেছিল।’

তবে পার্থক্য গড়ে দিয়েছে একজনই- লিওনেল মেসি। সাবেয়ার ভাষায়, ‘তাদের একটি জিনিস ছিল না, আর সেটা হলো মেসি। সে একজন জিনিয়াস, আর সৌভাগ্যবশত সে আর্জেন্টাইন। ওই শট দুইজন গোলরক্ষকও ঠেকাতে পারত না। মেসি থাকলে সবই সম্ভব।’

পুরো ম্যাচে মেসিকে থামাতে দ্বৈত পাহারায় রেখেছিল ইরান। তবুও শেষ মুহূর্তে সামান্য সুযোগই যথেষ্ট ছিল ‘অ্যাটমিক ফ্লি’র জন্য। নিজের চিরচেনা স্টাইলে প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে যে শট নিয়েছিলেন, তা আজও বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় গোল হিসেবে বিবেচিত হয়।

সেই গোলের মাধ্যমে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয়সূচক গোল করেন মেসি। তার নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে এগিয়ে যায় শিরোপা স্বপ্নে।

যুগ পেরিয়ে গেলেও মিনেইরোর সেই রাত এখনো ফুটবলপ্রেমীদের মনে অমলিন। কারণ, সেটি ছিল এমন এক মুহূর্ত, যখন পুরো বিশ্ব আবারও দেখেছিল- লিওনেল মেসি কেন ভিন্ন গ্রহের ফুটবলার।

মেসির গোলটি দেখুন এই লিংকে...

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow