‘এখন থেকে ৫০ ভাগ মামলা গাড়িচালকের বিরুদ্ধে করা হবে’
এআইভিত্তিক ট্রাফিক মনিটরিং ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে কোনো ধরনের অসদুপায় অবলম্বন না করে ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এখন থেকে ট্রাফিক আইন অমান্য করলে ন্যূনতম ৫০ ভাগ মামলা গাড়িচালকের বিরুদ্ধে হবে। যার ফলে ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে পয়েন্ট কাটা যাবে। মঙ্গলবার (২ জুন) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। আনিছুর রহমান বলেন, এতদিন আমরা শুধু নম্বর প্লেটের ওপরে মামলা করতাম। আলটিমেটলি মামলাটা গিয়ে পড়তো মালিকের ওপরে। কিন্তু আমাদের দেশে সেলফ ড্রাইভ (নিজের গাড়ি নিজে চালানো) পরিমাণটা অনেক কম। গাড়িটা চালান চালক। দেখা যায় চালক ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে তার কিছু হয় না। আমরা যেটা চেষ্টা করছি ন্যূনতম ৫০ ভাগ মামলা মালিককে না দিয়ে চালককে দেব। তিনি বলেন, চালককে মামলা দিলে দুই ধরনের ঘটনা ঘটবে। একটা হলো তাকে জরিমানার টাকা দিতে হবে। একইসঙ্গে ডিমেরিড পদ্ধতিতে তার ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে পয়েন্ট কাটা যাবে। আমাদের জানা থাকা উচিত, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইনটেক থাকার জিনিস না। এটাও পারফর
এআইভিত্তিক ট্রাফিক মনিটরিং ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে কোনো ধরনের অসদুপায় অবলম্বন না করে ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান।
একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এখন থেকে ট্রাফিক আইন অমান্য করলে ন্যূনতম ৫০ ভাগ মামলা গাড়িচালকের বিরুদ্ধে হবে। যার ফলে ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে পয়েন্ট কাটা যাবে।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
আনিছুর রহমান বলেন, এতদিন আমরা শুধু নম্বর প্লেটের ওপরে মামলা করতাম। আলটিমেটলি মামলাটা গিয়ে পড়তো মালিকের ওপরে। কিন্তু আমাদের দেশে সেলফ ড্রাইভ (নিজের গাড়ি নিজে চালানো) পরিমাণটা অনেক কম। গাড়িটা চালান চালক। দেখা যায় চালক ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে তার কিছু হয় না। আমরা যেটা চেষ্টা করছি ন্যূনতম ৫০ ভাগ মামলা মালিককে না দিয়ে চালককে দেব।
তিনি বলেন, চালককে মামলা দিলে দুই ধরনের ঘটনা ঘটবে। একটা হলো তাকে জরিমানার টাকা দিতে হবে। একইসঙ্গে ডিমেরিড পদ্ধতিতে তার ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে পয়েন্ট কাটা যাবে।
আমাদের জানা থাকা উচিত, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইনটেক থাকার জিনিস না। এটাও পারফরমেন্স বেজড বলেন তিনি।
তিনি বলেন, আপনি যখন আপনার প্রতিষ্ঠানের একজন চালক খুঁজবেন তখন ভেরিফাই করার চেষ্টা করবেন, তার ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কত। যে ছেলেটা ১২ পয়েন্ট নিয়ে বসে আছে, আর যে ছেলেটা ৫ পয়েন্ট নিয়ে বসে আছে নিশ্চয়ই তাদের বেতন সমান হওয়া উচিত না। বেতনে একটা পার্থক্য থাকতে হবে।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কাটার ও চালকের লাইসেন্সে পয়েন্ট জানার পদ্ধতির প্রক্রিয়ায় আইনগত কোনো বাধা আছে কি না সে বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।
কেআর/এমআরএম
What's Your Reaction?