এখন নির্বাচিত সরকার এসেছে, পরিস্থিতিও নিয়ন্ত্রণে থাকবে
দীর্ঘ ১৭-১৮ বছরে মানুষের যে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি, তা পূরণ করাই প্রধান লক্ষ্য হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হবে। দেশে নির্বাচিত সরকার আসায় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পাশাপাশি পরিস্থিতিও অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মন্ত্রী। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে জাগো নিউজকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন। শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়ে এদিন দুপুরে প্রথমবার নিজ দপ্তরে আসন নতুন মন্ত্রী। নতুন সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অগ্রাধিকার কী? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। জনগণের কাছে যে অঙ্গীকার করেছি, সেটাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। অগ্রাধিকারগুলো আমরা তিন ভাগে ভাগ করব- স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি। সাম্প্রতিক সময়ে বেকারের সংখ্যা বেড়েছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে চ্যালেঞ
দীর্ঘ ১৭-১৮ বছরে মানুষের যে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি, তা পূরণ করাই প্রধান লক্ষ্য হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হবে।
দেশে নির্বাচিত সরকার আসায় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পাশাপাশি পরিস্থিতিও অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মন্ত্রী।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে জাগো নিউজকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন। শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়ে এদিন দুপুরে প্রথমবার নিজ দপ্তরে আসন নতুন মন্ত্রী।
নতুন সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অগ্রাধিকার কী? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। জনগণের কাছে যে অঙ্গীকার করেছি, সেটাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। অগ্রাধিকারগুলো আমরা তিন ভাগে ভাগ করব- স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি।
সাম্প্রতিক সময়ে বেকারের সংখ্যা বেড়েছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন কি না? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বেকারদের কাজের সুযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করা হবে। আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারেই কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তবে কাজ শুরুর জন্য আমাদের কিছুটা সময় দিতে হবে। আমরা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে, সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে পরিকল্পনা চূড়ান্ত করবো।
মন্ত্রী জানান, প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরের চলমান ও ঝুলে থাকা কাজগুলোর তালিকা পর্যালোচনা করা হবে। এর ভিত্তিতে কর্মসংস্থান বাড়ানোর বাস্তবসম্মত উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বিদেশি বাজার সম্প্রসারণে কী ধরনের উদ্যোগ নেবেন—জানতে চাইলে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বাইরের বাজার কিছুটা বন্ধ হয়ে গেছে। আমাদের দেখতে হবে কীভাবে নতুন বাজারে প্রবেশ করা যায়। মন্ত্রণালয়ের বিদেশস্থ বিভিন্ন উইং কী কাজ করছে, তা মূল্যায়ন করবো। কোথায় ঘাটতি আছে, তা চিহ্নিত করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ১০০ দিন পর যদি আপনারা জিজ্ঞেস করেন, আমরা কী করেছি- তখন একটি পরিষ্কার ধারণা দিতে পারবো এবং তখন পদক্ষেপগুলো তুলে ধরবো।
শ্রমিক অসন্তোষ আমাদের দেশে একটি বড় সমস্যা। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে ঈদের আগে অস্থিরতা দেখা যায়। শ্রম অসন্তোষ বন্ধে নতুন সরকার কী ধরনের উদ্যোগ নেবে—এমন প্রশ্ন করা হলে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকলে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
তিনি বলেন, এখন নির্বাচিত সরকার দায়িত্বে রয়েছে। শ্রমিকরাই আমাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। তাদেরও বুঝতে হবে, এক মাসে আলাদিনের চেরাগ জ্বালিয়ে সব সমস্যার সমাধান করা যায় না।
তবে শ্রমিকদের প্রত্যাশা পূরণে সরকার আন্তরিক এ কথা উল্লেখ করে শ্রমমন্ত্রী জানান, শিগগির শ্রমিক, মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে। পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পথ খোঁজা হবে।
এমএএস/এমকেআর
What's Your Reaction?