‘এগারো সিন্ধুর’ ট্রেনের দুই বগি বিচ্ছিন্ন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা
গাজীপুরের কালীগঞ্জে চলন্ত আন্তঃনগর ‘এগারো সিন্ধুর প্রভাতী’ ট্রেনের দুটি বগি (কোচ) হঠাৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে টঙ্গী-ভৈরব রেললাইনের তুমলিয়ার দড়িপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে রেললাইনের ওপর পড়ে থাকলেও কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন ট্রেনের কয়েকশ যাত্রী। রেলওয়ে সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কিশোরগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তঃনগর ‘এগারো সিন্ধুর প্রভাতী’ ট্রেনটি দড়িপাড়া এলাকা অতিক্রম করার সময় হঠাৎ বিকট শব্দ হয়। এসময় ট্রেনের পেছনের দিকে থাকা ‘গ’ ও ‘ঘ’ বগির সংযোগস্থলের হুক (কাপলিং) খুলে যায়। এতে মুহূর্তের মধ্যেই বগি দুটি মূল ট্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পেছনে পড়ে থাকে। চালক বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত ট্রেনটি থামিয়ে দিলে বড় কোনো দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পান যাত্রীরা। ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কারিগরি কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেরামতের কাজ শুরু করেন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর বিচ্ছিন্ন হওয়া বগি দুটি পুনরায় মূল ট্রেনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়। এরপর ট্রেনটি আবার ঢ
গাজীপুরের কালীগঞ্জে চলন্ত আন্তঃনগর ‘এগারো সিন্ধুর প্রভাতী’ ট্রেনের দুটি বগি (কোচ) হঠাৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে টঙ্গী-ভৈরব রেললাইনের তুমলিয়ার দড়িপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে রেললাইনের ওপর পড়ে থাকলেও কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন ট্রেনের কয়েকশ যাত্রী।
রেলওয়ে সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কিশোরগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তঃনগর ‘এগারো সিন্ধুর প্রভাতী’ ট্রেনটি দড়িপাড়া এলাকা অতিক্রম করার সময় হঠাৎ বিকট শব্দ হয়। এসময় ট্রেনের পেছনের দিকে থাকা ‘গ’ ও ‘ঘ’ বগির সংযোগস্থলের হুক (কাপলিং) খুলে যায়। এতে মুহূর্তের মধ্যেই বগি দুটি মূল ট্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পেছনে পড়ে থাকে। চালক বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত ট্রেনটি থামিয়ে দিলে বড় কোনো দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পান যাত্রীরা।
ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কারিগরি কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেরামতের কাজ শুরু করেন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর বিচ্ছিন্ন হওয়া বগি দুটি পুনরায় মূল ট্রেনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়। এরপর ট্রেনটি আবার ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টঙ্গী-ভৈরব রেললাইনটি ডাবল লাইন হওয়ার কারণে এই দুর্ঘটনার সময় ট্রেন চলাচলে বড় কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। বিকল্প লাইন ব্যবহার করে ওই রুটে অন্যান্য ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়েছিল। ফলে যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়নি এবং কোনো শিডিউল বিপর্যয়ও ঘটেনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক নাজিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “চলন্ত অবস্থায় ট্রেনের হুক খুলে বগি বিচ্ছিন্ন হওয়ার খবর পাওয়ার সাথে সাথেই পুলিশ ও রেলওয়ের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বগিগুলো সংযুক্ত করে ট্রেনটি গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে। যান্ত্রিক এই ত্রুটি কেন এবং কীভাবে হলো, তা খতিয়ে দেখার জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে।”
রেলওয়ে কর্মকর্তাদের মতে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সংযোগস্থলের হুকটি আলগা হয়ে গিয়েছিল। তবে এ ঘটনায় কোনো ক্ষয়-ক্ষতি না হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে রক্ষণাবেক্ষণের ওপর আরও জোর দেওয়া হবে বলেও তারা জানান।
What's Your Reaction?