এজলাসে হাজির দুই আসামি, শুরু আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন ও সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণের শুনানি শুরু হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে এবং ১০টা ৫৭ মিনিটে আসামি স্বপ্না আক্তারকে আদালতের এজলাসে আনা হয়। বেলা ১১টা ১০ মিনিটে বিচারক এজলাসে উঠলে শুনানি কার্যক্রম শুরু হয়। আদালত সূত্রে জানা যায়, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শুনানির আগে দুই আসামিকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছিল। দেখা যায়, কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় প্রধান আসামি সোহেল রানাকে তার স্ত্রী ও আসামি স্বপ্না আক্তারের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করতে দেখা যায়। তবে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা এতে বাধা দেন। পরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে একটু টুলে বসতে দেওয়া হয়। বিচারক আসার আগ পর্যন্ত সোহেল পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে চেষ্টা করেন। এর আগে মঙ্গলবার (২ জুন) মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। সেদিন তদন্তকালে জব্দ করা কাটা গ্রিলসহ বিভিন্ন আলামত আদালতে উপস্থাপন করা হয় এবং সাক্ষীদের মাধ্যমে সে
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন ও সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণের শুনানি শুরু হয়েছে।
বুধবার (৩ জুন) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে এবং ১০টা ৫৭ মিনিটে আসামি স্বপ্না আক্তারকে আদালতের এজলাসে আনা হয়। বেলা ১১টা ১০ মিনিটে বিচারক এজলাসে উঠলে শুনানি কার্যক্রম শুরু হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শুনানির আগে দুই আসামিকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছিল।
দেখা যায়, কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় প্রধান আসামি সোহেল রানাকে তার স্ত্রী ও আসামি স্বপ্না আক্তারের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করতে দেখা যায়। তবে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা এতে বাধা দেন। পরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে একটু টুলে বসতে দেওয়া হয়। বিচারক আসার আগ পর্যন্ত সোহেল পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে চেষ্টা করেন।
এর আগে মঙ্গলবার (২ জুন) মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। সেদিন তদন্তকালে জব্দ করা কাটা গ্রিলসহ বিভিন্ন আলামত আদালতে উপস্থাপন করা হয় এবং সাক্ষীদের মাধ্যমে সেগুলো শনাক্ত করে নথিভুক্ত করা হয়।
মামলায় মোট ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সাক্ষীদের মধ্যে নিহত শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা, মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, প্রতিবেশী এবং ঘটনাসংশ্লিষ্ট স্থানীয় ব্যক্তিরা ছিলেন। শিশু সাক্ষী হওয়ায় রাইসা আক্তারের সাক্ষ্য ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়।
গত সোমবার (১ জুন) দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। পরদিন থেকেই সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে মিরপুর-১১ এলাকার একটি বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে এ ঘটনায় পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ ডিএনএ রিপোর্ট, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং ফরেনসিক আলামতের ভিত্তিতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
আজ আত্মপক্ষ সমর্থন ও ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত মামলার যুক্তিতর্ক শুনানির বিষয়ে পরবর্তী আদেশ দিতে পারেন।
এমডিএএ/এসএনআর
What's Your Reaction?