এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সর্বজনীন পেনশন স্কিম শীর্ষক আলোচনা সভা
এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সঙ্গে নিবন্ধিত দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওগুলোর সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় এনজিও খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘প্রগতি’ স্কিমের আওতাভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আয়োজিত এ সভায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ, অর্থ বিভাগ এবং এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ২৫০টি এনজিওর প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক (সচিব) ডক্টর মোহাম্মদ জাকারিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। সভায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান বলেন, দেশের নাগরিকদের বার্ধক্যকালীন আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সর্বজনীন পেনশন স্কিম একটি রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টিযুক্ত সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বহুজাতিক কোম্পানি এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওসহ বেসরকারি খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য প্রগতি স্কিম প্রস্তুত করা হয়
এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সঙ্গে নিবন্ধিত দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওগুলোর সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় এনজিও খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘প্রগতি’ স্কিমের আওতাভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আয়োজিত এ সভায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ, অর্থ বিভাগ এবং এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ২৫০টি এনজিওর প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক (সচিব) ডক্টর মোহাম্মদ জাকারিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
সভায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান বলেন, দেশের নাগরিকদের বার্ধক্যকালীন আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সর্বজনীন পেনশন স্কিম একটি রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টিযুক্ত সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বহুজাতিক কোম্পানি এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওসহ বেসরকারি খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য প্রগতি স্কিম প্রস্তুত করা হয়েছে। এ স্কিমের আওতায় নিয়মিত চাঁদা দেয়ার মাধ্যমে কর্মজীবন-পরবর্তী সময়ে আজীবন মাসিক পেনশন পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক (সচিব) ডক্টর মোহাম্মদ জাকারিয়া এনজিও খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এ ছাড়াও অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ২০২৬-এর দ্বিতীয় অধ্যায়ের ‘বৈষম্যহীন আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও টেকসই রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা অর্জন’ অংশে বেসরকারি খাতে নিয়োজিত ব্যক্তিদের বার্ধক্যের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘পেনশন ফান্ড গঠন’ করা হয়। তিনি দেশের বেসরকারি ও এনজিওগুলোর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে তাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত যোগ্য কর্মীদের প্রগতি স্কিমের আওতায় আনার আহ্বান জানান।
এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ব্যারিস্টার মো. খলিলুর রহমানের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে আলোচনা সভা শেষ হয়। সভায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধিরা সর্বজনীন পেনশন স্কিম সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করেন এবং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের এ স্কিমের আওতায় আনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
What's Your Reaction?