এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন সেই বহিষ্কৃত প্রভাবশালী নেতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়া মোহাম্মদ ইসহাক সরকার জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিতে পারেন বলে গুঞ্জন উঠেছে।  সম্প্রতি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের এনসিপিতে যোগ দেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। রোববারও (১৯ এপ্রিল) এবি পার্টি ও ‘আপ বাংলাদেশ’ থেকে কয়েকজন নেতা-কর্মী দলটিতে যোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত কিছু নেতার সঙ্গেও যোগাযোগ করছে তরুণদের নিয়ে গঠিত এ রাজনৈতিক দল। জানা গেছে, সম্ভাব্য যোগদাতাদের তালিকায় রয়েছেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ও মোহাম্মদ ইসহাক সরকার। এ বিষয়ে ইসহাক সরকার গণমাধ্যমকে জানান, তিনি এনসিপিতে যোগ দিতে পারেন। এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। জানা গেছে, ইসহাক সরকার অতীতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পরে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় থাকলেও সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৪ ফেব্রুয়ারি তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবি

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন সেই বহিষ্কৃত প্রভাবশালী নেতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়া মোহাম্মদ ইসহাক সরকার জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিতে পারেন বলে গুঞ্জন উঠেছে। 

সম্প্রতি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের এনসিপিতে যোগ দেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। রোববারও (১৯ এপ্রিল) এবি পার্টি ও ‘আপ বাংলাদেশ’ থেকে কয়েকজন নেতা-কর্মী দলটিতে যোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত কিছু নেতার সঙ্গেও যোগাযোগ করছে তরুণদের নিয়ে গঠিত এ রাজনৈতিক দল।

জানা গেছে, সম্ভাব্য যোগদাতাদের তালিকায় রয়েছেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ও মোহাম্মদ ইসহাক সরকার।

এ বিষয়ে ইসহাক সরকার গণমাধ্যমকে জানান, তিনি এনসিপিতে যোগ দিতে পারেন। এ বিষয়ে আলোচনা চলছে।

জানা গেছে, ইসহাক সরকার অতীতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পরে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় থাকলেও সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৪ ফেব্রুয়ারি তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।

দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

সবশেষ নির্বাচনে ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে ঢাকা-৭ (লালবাগ-কামরাঙ্গীরচর) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন ইসহাক সরকার। ওই আসনে বিএনপি প্রার্থী হামিদুর রহমান বিজয়ী হন।

রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি হওয়ার পর থেকেই প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন ইসহাক সরকার। বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি—হরতাল ও অবরোধে তিনি সামনের সারিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এ সময় বিভিন্ন ঘটনায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। রাজধানীর বংশাল ও কোতোয়ালি থানার দুটি নাশকতার মামলায় তাকে দুই বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হলেও গত বছরের নভেম্বরে আদালত তাকে খালাস দেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow