এপস্টেইন ফাইলস প্রসঙ্গে কী বললেন জয়া আহসান?

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান বর্তমানে কলকাতায় অবস্থান করছেন। উপলক্ষ তার আসন্ন সিনেমা ‘ওসিডি’-র প্রচারণা। সৌকর্য ঘোষাল পরিচালিত সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারধর্মী এই ছবিটি আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেতে যাচ্ছে। সিনেমার প্রচারণায় গিয়েই ভারতীয় গণমাধ্যমে নিজের ব্যক্তিগত জীবন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং সমাজের অন্ধকার দিক নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন জয়া। সেখানেই জানালেন, তিনি চাইলেই সন্তান দত্তক নিতে পারেন, কিন্তু এই ‘অনিরাপদ পৃথিবী’র কথা ভেবেই তিনি পিছিয়ে আসেন। শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে জয়া আহসান বলেন, “এই পৃথিবী শিশুদের জন্য অসম্ভব অনিরাপদ। আমি চাইলে কিন্তু সন্তান দত্তক নিতে পারি। তার জন্য সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু বাধা একটাই। একটা শিশুকে পৃথিবীতে আনলে তার জন্য একটা নিরাপদ জায়গা করে দিতে হবে। কিন্তু মানুষ প্রতিনিয়ত ‘আমি আমি’ করে চলছে।” সমাজের এই স্বার্থপরতা এবং নিরাপত্তাহীনতাই তাকে মাতৃত্বের সিদ্ধান্ত থেকে দূরে রেখেছে বলে জানান তিনি। ছবিতে জয়া অভিনীত চরিত্রটি বেশ জটিল। বিশেষ করে ‘পিডোফিলিয়া’ বা শিশুদের প্রতি যৌন আকর্ষণের মতো স্পর্শকাতর বিষয় উঠে এসেছে এই সিনেমায়। এ প্রসঙ্গে জয়

এপস্টেইন ফাইলস প্রসঙ্গে কী বললেন জয়া আহসান?

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান বর্তমানে কলকাতায় অবস্থান করছেন। উপলক্ষ তার আসন্ন সিনেমা ‘ওসিডি’-র প্রচারণা। সৌকর্য ঘোষাল পরিচালিত সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারধর্মী এই ছবিটি আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেতে যাচ্ছে। সিনেমার প্রচারণায় গিয়েই ভারতীয় গণমাধ্যমে নিজের ব্যক্তিগত জীবন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং সমাজের অন্ধকার দিক নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন জয়া। সেখানেই জানালেন, তিনি চাইলেই সন্তান দত্তক নিতে পারেন, কিন্তু এই ‘অনিরাপদ পৃথিবী’র কথা ভেবেই তিনি পিছিয়ে আসেন।

শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে জয়া আহসান বলেন, “এই পৃথিবী শিশুদের জন্য অসম্ভব অনিরাপদ। আমি চাইলে কিন্তু সন্তান দত্তক নিতে পারি। তার জন্য সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু বাধা একটাই। একটা শিশুকে পৃথিবীতে আনলে তার জন্য একটা নিরাপদ জায়গা করে দিতে হবে। কিন্তু মানুষ প্রতিনিয়ত ‘আমি আমি’ করে চলছে।” সমাজের এই স্বার্থপরতা এবং নিরাপত্তাহীনতাই তাকে মাতৃত্বের সিদ্ধান্ত থেকে দূরে রেখেছে বলে জানান তিনি।

ছবিতে জয়া অভিনীত চরিত্রটি বেশ জটিল। বিশেষ করে ‘পিডোফিলিয়া’ বা শিশুদের প্রতি যৌন আকর্ষণের মতো স্পর্শকাতর বিষয় উঠে এসেছে এই সিনেমায়। এ প্রসঙ্গে জয়া বলেন, “একটা বাচ্চা দেখলে সাধারণ মানুষের মনে মায়া জন্মায়, স্নেহ জন্মায়। কিন্তু কিছু মানুষের শিশুদের দেখলে যৌন আকাঙ্ক্ষা জন্মায়। তারা ওই শরীরের ভেতরটা দেখতে চায়। আসলে এটা তো একটা গুরুতর মানসিক অসুস্থতা।”

নিজের চরিত্রের প্রয়োজনে জয়া বিস্তর গবেষণা করেছেন। বিশ্বজুড়ে আলোচিত ‘এপস্টেইন ফাইলস’ প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এমন বিষয় নিয়ে বাংলা সিনেমায় সচরাচর কাজ হয় না। তাই দায়িত্ববোধ থেকেই তিনি মানসিক ব্যাধি ও এর পেছনের কারণগুলো নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। জয়ার মতে, এই সিনেমা সমাজের এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করবে, যা নিয়ে কথা বলা এখন সময়ের দাবি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow