এপ্রিলে বিভিন্ন দেশ থেকে কী পরিমাণ জ্বালানি আসছে জানালেন যুগ্ম সচিব

দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে। আগামী এপ্রিল মাসেও বিভিন্ন দেশ থেকে জ্বালানি আসছে। তাই উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছু নেই বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী। সোমবার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। আগামী মাসের জ্বালানি তেল আমদানির পরিকল্পনা তুলে ধরে যুগ্ম সচিব বলেন, ‘আমাদের দুটি কার্গো আসছে- একটি ৩০ মার্চ, আরেকটি ৩ এপ্রিল। এই দুটি আমরা পাচ্ছি, এগুলো একদম নিশ্চিত চলে আসছে। এখানে আছে প্রায় ৫৪ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন।’ সেই সঙ্গে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড (এনআরএল) থেকে ৭ হাজার টন যুক্ত হবে বলে জানান যুগ্ম সচিব। তিনি আরও বলেন, ‘এরপর মালয়েশিয়ার বিএসপি থেকে দুটি (কার্গো) পাবো, ইউনিপ্যাকের একটি পাবো। আরও প্রায় যুক্ত হবে ১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টনের মতো। ইনশাআল্লাহ উদ্বিগ্ন না হয়ে আমরা মানুষকে আশ্বস্ত করি যে আমাদের পর্যাপ্ত মজুত আছে। সেচে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মনির হোসেন চৌধুরী জানান, এ বিষয়ে তারা স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন যে কৃষিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। উপ

এপ্রিলে বিভিন্ন দেশ থেকে কী পরিমাণ জ্বালানি আসছে জানালেন যুগ্ম সচিব

দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে। আগামী এপ্রিল মাসেও বিভিন্ন দেশ থেকে জ্বালানি আসছে। তাই উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছু নেই বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী।

সোমবার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

আগামী মাসের জ্বালানি তেল আমদানির পরিকল্পনা তুলে ধরে যুগ্ম সচিব বলেন, ‘আমাদের দুটি কার্গো আসছে- একটি ৩০ মার্চ, আরেকটি ৩ এপ্রিল। এই দুটি আমরা পাচ্ছি, এগুলো একদম নিশ্চিত চলে আসছে। এখানে আছে প্রায় ৫৪ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন।’

সেই সঙ্গে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড (এনআরএল) থেকে ৭ হাজার টন যুক্ত হবে বলে জানান যুগ্ম সচিব। তিনি আরও বলেন, ‘এরপর মালয়েশিয়ার বিএসপি থেকে দুটি (কার্গো) পাবো, ইউনিপ্যাকের একটি পাবো। আরও প্রায় যুক্ত হবে ১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টনের মতো। ইনশাআল্লাহ উদ্বিগ্ন না হয়ে আমরা মানুষকে আশ্বস্ত করি যে আমাদের পর্যাপ্ত মজুত আছে।

সেচে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মনির হোসেন চৌধুরী জানান, এ বিষয়ে তারা স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন যে কৃষিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও বিশেষ করে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে কৃষকদের তালিকা আছে। সেই তালিকা অনুযায়ী যাতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কৃষকরা ডিজেল পায় তা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি এখন পর্যন্ত কোনো জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে কৃষিতে সমস্যা হওয়ার কথা শোনেননি। সাংবাদিকদের কাছে যদি কোনো তথ্য থাকে তা জানালে তারা সঙ্গে সঙ্গে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।

জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য সরকারের পরিকল্পনা নিয়ে জানতে চাইলে যুগ্ম সচিব জানান, এক্ষেত্রে পাশের দেশগুলো বা অন্যরা বাসা থেকে কাজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি দিয়েছে। তারপর আছে আলাদা আলাদা দিনে জোড়-বিজোড় নম্বরের গাড়ি চলাচল। এগুলো তারা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছেন। এ বিষয়ে যখন সিদ্ধান্ত হবে তখন জানানো হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow