এবার ইরানকে অর্থনৈতিক চাপ দিয়ে দেখতে চান ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত থামলেও কাটেনি উত্তেজনা। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া নিয়ে তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের টানাপোড়েন চলছে। এর মধ্যেই নতুন করে সামরিক অভিযান না চালিয়ে ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে চাপ দেওয়ার পথে এগোনোর ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে সীমিত আলোচনার পাশাপাশি অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করতেই বেশি আগ্রহী তিনি। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর গভীরভাবে নজর রাখছে বলেও জানান প্রেসিডেন্ট ট্রাস্প। বিশেষ করে, দেশটির উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও অর্থের সংকটকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এসময় ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে ইরানি মুদ্রা রিয়ালের দরপতনের একটি চার্টও প্রকাশ করেন। এরই অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সামরিক তৎপরতাও বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, রোববার (৯ আগস্ট) পর্যন্ত মার্কিন বাহিনী ইরানের বন্দর থেকে ৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করেছে, যেখানে দুই আগস্ট পর্যন্ত এই সংখ্যা ছিল মাত্র ৩৫টি। অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার বিষয়টি একাধি
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত থামলেও কাটেনি উত্তেজনা। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া নিয়ে তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের টানাপোড়েন চলছে। এর মধ্যেই নতুন করে সামরিক অভিযান না চালিয়ে ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে চাপ দেওয়ার পথে এগোনোর ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে সীমিত আলোচনার পাশাপাশি অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করতেই বেশি আগ্রহী তিনি। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর গভীরভাবে নজর রাখছে বলেও জানান প্রেসিডেন্ট ট্রাস্প। বিশেষ করে, দেশটির উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও অর্থের সংকটকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এসময় ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে ইরানি মুদ্রা রিয়ালের দরপতনের একটি চার্টও প্রকাশ করেন।
এরই অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সামরিক তৎপরতাও বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, রোববার (৯ আগস্ট) পর্যন্ত মার্কিন বাহিনী ইরানের বন্দর থেকে ৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করেছে, যেখানে দুই আগস্ট পর্যন্ত এই সংখ্যা ছিল মাত্র ৩৫টি।
অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার বিষয়টি একাধিক শর্তের সঙ্গেই যুক্ত বলে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, গত জুন মাসে দুই দেশের মধ্যে সই করা সমঝোতা স্মারকের সব শর্ত পূরণ করলেই কেবল হরমুজ খুলে দেওয়া হবে।
ইরানের এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দেওয়া ও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা বন্ধ করা। এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া, মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়া ও বিদেশে আটকে থাকা ইরানের সম্পদ ছাড়ার দাবিও জানিয়েছে তেহরান।
এদিকে, প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের পথ নির্ধারণ নিয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তবে, তিনি এটিও স্পষ্ট করেন, সমঝোতা হলেই যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে- এমন নয়। জাহাজ চলাচলের পথ নির্ধারণের আলোচনা ও প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়ার বিষয়টিকে আলাদাভাবে দেখছে তেহরান।
এসময় যুক্তরাষ্ট্র জুনের সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘন করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। ফলে, ওয়াশিংটন শর্তানুযায়ী ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত নতুন করে আলোচনা শুরু করা সম্ভব নয় বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দেন আব্বাস আরাগচি।
সূত্র: ইউএ নিউজ
এসএএইচ
What's Your Reaction?