এবার খার্গ দ্বীপে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র
এবার খার্গ দ্বীপের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানের খার্গ দ্বীপে গত রাতে চালানো হামলা একটি বৃহৎ পরিসরের নির্ভুল সামরিক অভিযান ছিল। শনিবার (১৪ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে সেন্টকম জানিয়েছে, এই হামলায় নৌবাহিনীর মাইন সংরক্ষণাগার, ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ বাংকারসহ বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মার্কিন বাহিনী এই অভিযানে ইরানের ৯০টিরও বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। তবে হামলার সময় দ্বীপটির তেল অবকাঠামো অক্ষত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে এক ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, খার্গ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। তেল কোম্পানিগুলোর কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। এর আগে এ হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানিয়েছে ইরানের সংবাদমাধ্যম। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বীপের তেল স্থাপনা অক্ষত রয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার দ্বীপটিতে একাধিক বিমান হামলা চালানো
এবার খার্গ দ্বীপের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানের খার্গ দ্বীপে গত রাতে চালানো হামলা একটি বৃহৎ পরিসরের নির্ভুল সামরিক অভিযান ছিল।
শনিবার (১৪ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে সেন্টকম জানিয়েছে, এই হামলায় নৌবাহিনীর মাইন সংরক্ষণাগার, ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ বাংকারসহ বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, মার্কিন বাহিনী এই অভিযানে ইরানের ৯০টিরও বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। তবে হামলার সময় দ্বীপটির তেল অবকাঠামো অক্ষত রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে এক ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, খার্গ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। তেল কোম্পানিগুলোর কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে এ হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানিয়েছে ইরানের সংবাদমাধ্যম। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বীপের তেল স্থাপনা অক্ষত রয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার দ্বীপটিতে একাধিক বিমান হামলা চালানো হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, হামলার সময় দ্বীপজুড়ে ১৫টিরও বেশি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। বিস্ফোরণের পর দ্বীপের বিভিন্ন স্থান থেকে ঘন ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়।
তবে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, বিস্ফোরণের তীব্রতা সত্ত্বেও দ্বীপটির গুরুত্বপূর্ণ তেল অবকাঠামো অক্ষত রয়েছে এবং কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
What's Your Reaction?