এবার চালক বাবুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেশ টিভির সাবেক এমডি আরিফ
দেশ টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আরিফ হাসানকে এবার রাজধানীর বিমানবন্দর থানায় করা প্রাইভেট কারচালক বাবুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেনের আদালত এ আদেশ দেন। বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এসময় রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হারুন অর রশিদ গ্রেপ্তারের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষে আইনজীবী তাহমিনা সুলতানা আবেদন নামঞ্জুরের আবেদন করেন। তবে আদালত শ্যোন এরেস্ট দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই বছরের ১৮ জুলাই উত্তরা এলাকায় সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত হন প্রাইভেট কারচালক বাবুল। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় গত বছরের ২২ জুলাই বাবুলের স্ত্রী বিমানবন্দর থানায় হত্যা মামলা করেন। এ হত্যাকাণ্ড ও হামলার ঘটনায় আরিফ হাসান ‘মূল অর্থ জোগানদাতা’ হিসেবে কাজ
দেশ টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আরিফ হাসানকে এবার রাজধানীর বিমানবন্দর থানায় করা প্রাইভেট কারচালক বাবুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেনের আদালত এ আদেশ দেন। বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এসময় রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হারুন অর রশিদ গ্রেপ্তারের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষে আইনজীবী তাহমিনা সুলতানা আবেদন নামঞ্জুরের আবেদন করেন। তবে আদালত শ্যোন এরেস্ট দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই বছরের ১৮ জুলাই উত্তরা এলাকায় সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত হন প্রাইভেট কারচালক বাবুল। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় গত বছরের ২২ জুলাই বাবুলের স্ত্রী বিমানবন্দর থানায় হত্যা মামলা করেন।
এ হত্যাকাণ্ড ও হামলার ঘটনায় আরিফ হাসান ‘মূল অর্থ জোগানদাতা’ হিসেবে কাজ করেছেন বলে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনে উল্লেখ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।
আরিফ হাসানের আইনজীবী তাহমিনা সুলতানা আদালতে বলেন, তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। কখনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তার নামে নয়টি মামলা আছে। তার হার্টে রিং পরানো। একই দিনে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে তিনি কীভাবে হামলা করেন, সে প্রশ্ন তোলেন তিনি। আরিফ হাসান এর আগে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন। তিনি কারাগারে আছেন।
What's Your Reaction?