এবার ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন ডিবির হারুনসহ ১০ শীর্ষ কর্মকর্তা

গাজীপুরের বহুল আলোচিত পাতারটেক জঙ্গি নাটক ঘটনায় প্রথমবারের মতো বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা। সম্প্রতি সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।   মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- সাবেক আইজিপি একেএম শহিদুল হক, সাবেক আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান মিয়া ও পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের তৎকালীন প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম। প্রসিকিউশন জানায়, দীর্ঘ তদন্তের পর চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে এ মামলার প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত সংস্থা। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। এ নিয়ে শুনানির পর পরবর্তী দিন ধার্য করবেন ট্রাইব্যুনাল। এ সময় অভিযুক্ত অন্য কর্মকর্তারাও বিভিন্ন পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও অপারেশন বাস্তবায়নের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন বলেও প্রসিকিউসনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।  প্রসিকিউশনের অভিযোগ

এবার ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন ডিবির হারুনসহ ১০ শীর্ষ কর্মকর্তা
গাজীপুরের বহুল আলোচিত পাতারটেক জঙ্গি নাটক ঘটনায় প্রথমবারের মতো বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা। সম্প্রতি সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।   মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- সাবেক আইজিপি একেএম শহিদুল হক, সাবেক আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান মিয়া ও পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের তৎকালীন প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম। প্রসিকিউশন জানায়, দীর্ঘ তদন্তের পর চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে এ মামলার প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত সংস্থা। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। এ নিয়ে শুনানির পর পরবর্তী দিন ধার্য করবেন ট্রাইব্যুনাল। এ সময় অভিযুক্ত অন্য কর্মকর্তারাও বিভিন্ন পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও অপারেশন বাস্তবায়নের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন বলেও প্রসিকিউসনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।  প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ওই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দল পরিকল্পিতভাবে একটি ভুয়া ‘জঙ্গি নাটক’ সাজিয়ে সাতজনকে হত্যা করে। পরে তারা ঘটনাটিকে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে প্রচার করে। নিহতদের জঙ্গি হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও তদন্তে উঠে আসে যে তারা বিচারবহির্ভূতভাবে নিহত হন এবং পুরো ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত। উল্লেখ্য, নিহত সাতজনের একজন ছিলেন ইবরাহীম। তিনি যাত্রাবাড়ীর একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিলেন। পরিবারের দাবি, ইবরাহীম কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুমের ঘটনায় নতুন করে অভিযোগ জানানোর সুযোগ তৈরি হলে ইবরাহীমের বাবা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কাছে ছেলের গুম ও হত্যার অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগই পরবর্তীতে এই মামলার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow