এবার বিএনপি-জামায়াত সমর্থকদের তুমুল সংঘর্ষ, আহত অনেকে
খুলনার তেখাখাদা উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদলের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার মধুপুর ইউনিয়ন এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দা সুজন (২৫), এমরান শেখ (৬০), এরাদত মোল্যা, আনোয়ার মোল্যা, কমরুল শেখ (৩২), হুমায়ুন মোল্যা, সাদী শেখ, সাইফুল মোল্যা (৩০) এবং রাসেল মোল্যা। স্থানীয় সূত্র এবং পুলিশ জানায়, খুলনা-৪ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল ও ১১ দলীয় জোট প্রার্থী মাওলানা সাখাওয়াত হোসেনকে কেন্দ্র করে আলোচনার এক পর্যায়ে দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। দ্রুত তা সহিংসতা এবং সংঘর্ষে রূপ নেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর কিছু সময় পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, তবে পুলিশ এবং স্থানীয় নেতাদের তৎপরতায় দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আসে। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তেরখাদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল
খুলনার তেখাখাদা উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদলের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার মধুপুর ইউনিয়ন এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দা সুজন (২৫), এমরান শেখ (৬০), এরাদত মোল্যা, আনোয়ার মোল্যা, কমরুল শেখ (৩২), হুমায়ুন মোল্যা, সাদী শেখ, সাইফুল মোল্যা (৩০) এবং রাসেল মোল্যা।
স্থানীয় সূত্র এবং পুলিশ জানায়, খুলনা-৪ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল ও ১১ দলীয় জোট প্রার্থী মাওলানা সাখাওয়াত হোসেনকে কেন্দ্র করে আলোচনার এক পর্যায়ে দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। দ্রুত তা সহিংসতা এবং সংঘর্ষে রূপ নেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর কিছু সময় পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, তবে পুলিশ এবং স্থানীয় নেতাদের তৎপরতায় দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আসে। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তেরখাদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।”
What's Your Reaction?