‘এম নাজমুল দেশ ও জাতিকে অপমানিত করেছেন’
বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ক্ষতি নিয়ে করা মন্তব্যে বেশ সমালোচিত হন বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। এছাড়া সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে নিয়ে করা মন্তব্যও ভালোভাবে নেয়নি ক্রিকেটপ্রেমীরা। এসব ঘটনার মাধ্যমে তিনি দেশ ও জাতিকে অপমানিত করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৬ আসনের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।
দেশের এক বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আমি বলছি না যে, সবকিছু পরিবর্তন করে ফেলতে হবে। কিন্তু আমাদের সমস্যাগুলো তো চিহ্নিত করা গিয়েছে। এখন সেগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে। আমরা এমন প্রোগ্রাম চালু করতে চাই, যেখানে ট্যালেন্ট হান্টের মাধ্যমে প্রতিভাবান ক্রিকেটাররা উঠে আসবে। তাদেরকে আমরা পেশাদার ক্রিকেটে নিয়ে আসবো।’
বিগত এক বছরে ক্রিকেট নিয়ে বেশ সঞ্চার ছিলেন সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর ক্রিকেট ইস্যুতে কী কী পদক্ষেপ নিতে চান প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটিক প্রসেসের মাধ্যমে আমরা সকল কিছু করতে চাই। একজন ক্লাবের কাউন্সিলর হিসেবে আমি বোর্ডের সঙ্গে বসে কথা বলবো। তাদের পরিকল্পনা জানবো।’
এদিকে সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টার কথা জানিয়ে ইশরাক হোস
বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ক্ষতি নিয়ে করা মন্তব্যে বেশ সমালোচিত হন বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। এছাড়া সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে নিয়ে করা মন্তব্যও ভালোভাবে নেয়নি ক্রিকেটপ্রেমীরা। এসব ঘটনার মাধ্যমে তিনি দেশ ও জাতিকে অপমানিত করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৬ আসনের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।
দেশের এক বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আমি বলছি না যে, সবকিছু পরিবর্তন করে ফেলতে হবে। কিন্তু আমাদের সমস্যাগুলো তো চিহ্নিত করা গিয়েছে। এখন সেগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে। আমরা এমন প্রোগ্রাম চালু করতে চাই, যেখানে ট্যালেন্ট হান্টের মাধ্যমে প্রতিভাবান ক্রিকেটাররা উঠে আসবে। তাদেরকে আমরা পেশাদার ক্রিকেটে নিয়ে আসবো।’
বিগত এক বছরে ক্রিকেট নিয়ে বেশ সঞ্চার ছিলেন সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর ক্রিকেট ইস্যুতে কী কী পদক্ষেপ নিতে চান প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটিক প্রসেসের মাধ্যমে আমরা সকল কিছু করতে চাই। একজন ক্লাবের কাউন্সিলর হিসেবে আমি বোর্ডের সঙ্গে বসে কথা বলবো। তাদের পরিকল্পনা জানবো।’
এদিকে সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টার কথা জানিয়ে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘সরকারের তখনকার যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা যিনি ছিলেন, তিনি এবং তারা একটি রাজনীতি শুরু করেন। তারা সারা বাংলাদেশে মহা দুর্নীতি ও বাণিজ্য শুরু করেন। সেই সঙ্গে নিজেদের সিন্ডিকেট বসানোর চেষ্টাও চালায়। এমন সময় তো আর বসা থাকা যায় না। আমিও তো একজন কাউন্সিলর। এর মাঝে তাদের কেউ একজন আমার নাম দিয়ে বলে, আমি নাকি বোর্ডে আসতে চাই। কিন্তু আমার তো বোর্ডের আসার কোনো ইচ্ছাই নাই। আমি তো ফুলটাইম রাজনীতি করবো। আমি চাই, যারা ফুলটাইম ক্রীড়া সংগঠক তারাই আসুক। আর আমরা তাদেরকে সহযোগিতা করবো।’
বর্তমান বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কার্যকলাপ নিয়ে কিছু বলার আছে কি না প্রশ্নে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘এম নাজমুল ইসলাম আমাদের দেশ ও জাতিকে অপমানিত করেছেন। এ ধরণের বিষয়ে আমরা কোনো ছাড় দিব না। উনি ঠিক কোন প্রক্রিয়ায় এবং কীভাবে উঠে এসেছেন, এ বিষয়ে আমার কোনো ধারণা নেই। এই বিষয়গুলো সামনে উঠে আসবে। এ বিষয়ে তো ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমাদের দেশের আত্মমর্যাদার বিষয়ে ছাড় দেওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।’
মাশরাফি এবং সাকিবকে নিয়ে তিনি বলেন, ‘উনারা ক্রীড়াবিদ। তারা কিন্তু সাধারণ কোনো ক্রিকেটার না। তারা আমাদের দেশের সম্পদ। তাদের বিরুদ্ধে থাকা হত্যা মামলা আমার বিশ্বাস্যযোগ্য বলে মনে হয়নি। আমার মনে হয়নি যে, তারা কাউকে হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছেন কিংবা নিজেরা গিয়ে কাউকে হত্যা করেছেন। তবে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা মানি লন্ডারিংয়ের মামলা থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তা খতিয়ে দেখা উচিত।’