এমপি বানাবেন এমন একজনকে, যে ঢাকা-লন্ডন গিয়ে হারিয়ে যাবে না
ভোটারদের উদ্দেশে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, এমপি বানাবেন এমন একজনকে, যে ঢাকা-লন্ডন গিয়ে হারিয়ে যাবে না। যাকে খুঁজে পাওয়া যাবে না এমন কাউকে নয়। তিনি আরও বলেন, দেশকে সহিংস রাজনীতির হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। শান্তিপূর্ণ ও ভয়মুক্ত নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ডুমুরিয়া উপজেলার মাগুরখালী ও শরাফপুর এবং ফুলতলা উপজেলার আটরা-গিলাতলা ইউনিয়নের উঠান বৈঠক, গণসংযোগ ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করে বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার লক্ষ্যেই একটি মহল পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসীদের লালন-পালন করছে এবং অর্থের বিনিময়ে এসব অস্ত্রধারীরা দলবদল করছে। তিনি বলেন, ভয়ভীতি ও হুমকি-ধমকির মাধ্যমে ভোটের রায় কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। ভয় দিয়ে রায় নেওয়ার অর্থ হলো, আপনি সেই চরিত্রে পরিণত হয়েছেন। যারা হুমকি দিয়ে ক্ষমতায় গেছে, তাদের যে পরিণতি হয়েছে আপনারও সেই পরিণতি হবে। সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘কিছু অস্ত্র আজ তারা জোগাড় করছে। সবসময় তারা কিছু সন্ত্রাস লালন-পালন করে। ক্ষমতায় যা
ভোটারদের উদ্দেশে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, এমপি বানাবেন এমন একজনকে, যে ঢাকা-লন্ডন গিয়ে হারিয়ে যাবে না। যাকে খুঁজে পাওয়া যাবে না এমন কাউকে নয়।
তিনি আরও বলেন, দেশকে সহিংস রাজনীতির হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। শান্তিপূর্ণ ও ভয়মুক্ত নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ডুমুরিয়া উপজেলার মাগুরখালী ও শরাফপুর এবং ফুলতলা উপজেলার আটরা-গিলাতলা ইউনিয়নের উঠান বৈঠক, গণসংযোগ ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।
মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করে বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার লক্ষ্যেই একটি মহল পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসীদের লালন-পালন করছে এবং অর্থের বিনিময়ে এসব অস্ত্রধারীরা দলবদল করছে।
তিনি বলেন, ভয়ভীতি ও হুমকি-ধমকির মাধ্যমে ভোটের রায় কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। ভয় দিয়ে রায় নেওয়ার অর্থ হলো, আপনি সেই চরিত্রে পরিণত হয়েছেন। যারা হুমকি দিয়ে ক্ষমতায় গেছে, তাদের যে পরিণতি হয়েছে আপনারও সেই পরিণতি হবে।
সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘কিছু অস্ত্র আজ তারা জোগাড় করছে। সবসময় তারা কিছু সন্ত্রাস লালন-পালন করে। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কিছু রাজনীতিবিদ অস্ত্রধারীদের পোষে। ওদের কোনো দল নেই, টাকা পেলে যেই দলে সুবিধা সেদিকেই ভেড়ে।’
অতীতের রাজনৈতিক সহিংসতার উদাহরণ টেনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টনের মোড়ে লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে মানুষ হত্যা করা হয়েছিল, লাশের ওপর নাচানাচি হয়েছিল। সেই ছবিও দেশবাসী দেখেছে।
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি হাফেজ রেজাউল করিমকে পিটিয়ে হত্যার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ভোটের আগে যদি একজন দলীয় নেতাকে পিটিয়ে মারা যায়, তাহলে ক্ষমতায় গেলে তারা কী করবে সেটা সহজেই বোঝা যায়।
আরিফুর রহমান/এসআর/জেআইএম
What's Your Reaction?