এমপিও আবেদনে প্রাথমিকভাবে যোগ্য ১৭১৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী এমপিওভুক্তির জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সারা দেশ থেকে ৩ হাজার ৬১৫টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৭১৯টি প্রতিষ্ঠান বিবেচনাযোগ্য প্রতীয়মান হয়েছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রাপ্ত আবেদনগুলোর মধ্যে নিম্নমাধ্যমিক পর্যায়ের ৮৫৯টি, মাধ্যমিক পর্যায়ের ১ হাজার ১৭০টি, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের ৬৮৭টি, স্নাতক (পাস) পর্যায়ের ৪৪০টি, স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ের ৪১৪টি এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ৪৫টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। নীতিমালায় নির্ধারিত মাপকাঠির আলোকে এসব আবেদন মূল্যায়ন করা হচ্ছে। মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এমপিওভুক্তির যোগ্যতা, আঞ্চলিক সাম্য এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হচ্ছে।  স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে নির্ধারিত ক্রাইটেরিয়ায় গ্রেডিংয়ের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে প্রথম পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরির মোট ১ হাজার ৭১৯টি প্রতিষ্ঠান

এমপিও আবেদনে প্রাথমিকভাবে যোগ্য ১৭১৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী এমপিওভুক্তির জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সারা দেশ থেকে ৩ হাজার ৬১৫টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৭১৯টি প্রতিষ্ঠান বিবেচনাযোগ্য প্রতীয়মান হয়েছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রাপ্ত আবেদনগুলোর মধ্যে নিম্নমাধ্যমিক পর্যায়ের ৮৫৯টি, মাধ্যমিক পর্যায়ের ১ হাজার ১৭০টি, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের ৬৮৭টি, স্নাতক (পাস) পর্যায়ের ৪৪০টি, স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ের ৪১৪টি এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ৪৫টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। নীতিমালায় নির্ধারিত মাপকাঠির আলোকে এসব আবেদন মূল্যায়ন করা হচ্ছে। মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এমপিওভুক্তির যোগ্যতা, আঞ্চলিক সাম্য এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হচ্ছে।  স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে নির্ধারিত ক্রাইটেরিয়ায় গ্রেডিংয়ের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে প্রথম পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরির মোট ১ হাজার ৭১৯টি প্রতিষ্ঠান বিবেচনাযোগ্য বলে প্রতীয়মান হয়েছে। এ বিষয়ে সম্ভাব্য আর্থিক সংশ্লেষ নিরূপণ করে উল্লিখিত সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির জন্য অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি চেয়ে পত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মাউশি জানিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে সম্ভাব্য সংখ্যা নির্ধারণ করা হলেও সুনির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানভিত্তিক বিস্তারিত যাচাই-বাছাই কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। আবেদনপত্রের সঙ্গে দাখিল করা প্রমাণকগুলো ভূমি মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংরক্ষিত তথ্য ও অনলাইন ডাটাবেজের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই করা হচ্ছে। প্রয়োজনে সরেজমিনেও তথ্য যাচাই করা হবে। বিভাগটি আরও জানিয়েছে, স্বচ্ছতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে মূল্যায়নের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সংস্থার অনলাইন তথ্য ও মাঠপর্যায়ের যাচাইয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে। এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর বা অসত্য তথ্য প্রচার না করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আবেদন অনুমোদনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের সুযোগ নেই। এমপিও অনুমোদনের বিষয়ে অনৈতিক আর্থিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত যোগাযোগের চেষ্টা না করার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে। কেউ এ ধরনের যোগাযোগের চেষ্টা করলে বা এমপিও সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ থাকলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর +৮৮০ ১৩৩৯-৭৭৪৫২৮-এ খুদে বার্তার মাধ্যমে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। শিক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, এমপিওভুক্তি একটি চলমান ও পর্যায়ক্রমিক প্রক্রিয়া। নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা, অঞ্চলভিত্তিক জনসংখ্যা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ঘনত্ব এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতেও এমপিওভুক্তির কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow