এমবাপের ইতিহাস গড়া জোড়া গোলে নকআউটে ফ্রান্স

লিওনেল মেসির চেয়ে কোনো অংশেই কম যাচ্ছেন না কিলিয়ান এমবাপে। মেসি দুই ম্যাচে করলেন ৫ গোল। কিলিয়ান এমবাপে করলেন ৪ গোল। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের লড়াইয়ে কিলিয়ান এমবাপেও কম যাচ্ছেন না। ইরাকের বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিনি বসে গেলেন এতদিন শীর্ষে থাকা জার্মান তারকা মিরোস্লাভ ক্লোসার পাশে। বিশ্বকাপে ক্লোসার গোলও এখন ১৬টি। যেখানে ১৬ গোল করতে মেসি খেলেছেন ২৭ ম্যাচ, সেখানে এমবাপে খেললেন মাত্র ১৬ ম্যাচ। ইতিহাস গড়া জোড়া গোল করে কিলিয়ান এমবাপে ৩-০ ব্যবধানে জয় এনে দিয়েছেন ফ্রান্স। সে সঙ্গে ‘আই’ গ্রুপ থেকে নকআউট নিশ্চিত করে ফেলেছে ফরাসীরা। সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হয়ে বাকি গোলটি করেন ওসমান ডেম্বেলে। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার পর বজ্রবৃষ্টির কারণে প্রায় আড়াই ঘণ্টা খেলা বন্ধ ছিল। বিরতির পর মাঠে ফিরে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল ফ্রান্স। ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ইরাককে হারিয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করলো দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা। প্রথমার্ধে কিলিয়ান এমবাপের দুর্দান্ত এক গোল ফ্রান্সকে এগিয়ে দিয়েছিল। এরপর বজ্রপাত ও প্রবল বৃষ্টির কারণে দ্বিতীয়ার্ধ প্রায় আড়াই ঘণ্টা বিলম্বিত হয়। খেলা পুনরায় শুরু হওয়ার পর আরও দুই গোল করে

এমবাপের ইতিহাস গড়া জোড়া গোলে নকআউটে ফ্রান্স

লিওনেল মেসির চেয়ে কোনো অংশেই কম যাচ্ছেন না কিলিয়ান এমবাপে। মেসি দুই ম্যাচে করলেন ৫ গোল। কিলিয়ান এমবাপে করলেন ৪ গোল। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের লড়াইয়ে কিলিয়ান এমবাপেও কম যাচ্ছেন না।

ইরাকের বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিনি বসে গেলেন এতদিন শীর্ষে থাকা জার্মান তারকা মিরোস্লাভ ক্লোসার পাশে। বিশ্বকাপে ক্লোসার গোলও এখন ১৬টি। যেখানে ১৬ গোল করতে মেসি খেলেছেন ২৭ ম্যাচ, সেখানে এমবাপে খেললেন মাত্র ১৬ ম্যাচ।

ইতিহাস গড়া জোড়া গোল করে কিলিয়ান এমবাপে ৩-০ ব্যবধানে জয় এনে দিয়েছেন ফ্রান্স। সে সঙ্গে ‘আই’ গ্রুপ থেকে নকআউট নিশ্চিত করে ফেলেছে ফরাসীরা। সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হয়ে বাকি গোলটি করেন ওসমান ডেম্বেলে।

প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার পর বজ্রবৃষ্টির কারণে প্রায় আড়াই ঘণ্টা খেলা বন্ধ ছিল। বিরতির পর মাঠে ফিরে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল ফ্রান্স। ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ইরাককে হারিয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করলো দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা।

প্রথমার্ধে কিলিয়ান এমবাপের দুর্দান্ত এক গোল ফ্রান্সকে এগিয়ে দিয়েছিল। এরপর বজ্রপাত ও প্রবল বৃষ্টির কারণে দ্বিতীয়ার্ধ প্রায় আড়াই ঘণ্টা বিলম্বিত হয়। খেলা পুনরায় শুরু হওয়ার পর আরও দুই গোল করে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় ফরাসিরা।

ম্যাচের ১৪তম মিনিটে মাইকেল অলিসের পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত বাঁ-পায়ের শটে গোল করেন এমবাপে। বিশ্বকাপে এটি ছিল তার ১৫তম গোল। প্রথমার্ধে সাহসী ফুটবল খেললেও গোলের দেখা পায়নি ইরাক।

দীর্ঘ বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই কিছুটা আক্রমণাত্মক ছিল ইরাক। কিন্তু ৫৪ মিনিটে নিজেদের ভুলেই দ্বিতীয় গোল হজম করে তারা। রক্ষণভাগের ছোট পাসে গোলরক্ষক জালাল হাসান বাসিল চাপে পড়ে বল হারান। সুযোগ কাজে লাগিয়ে ওসমান দেম্বেলের নিঃস্বার্থ পাস থেকে সহজেই জালে বল জড়ান এমবাপে। টুর্নামেন্টে এটি ছিল তার চতুর্থ গোল এবং বিশ্বকাপে মোট ১৬তম গোল, যা তাকে জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসের সমান উচ্চতায় নিয়ে যায়।

দ্বিতীয় গোলের পর আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যায় ফরাসিদের। ৫৮ মিনিটে অলিসের চিপ করা শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ৫৯ মিনিটে দেম্বেলের শট দারুণভাবে ঠেকান ইরাকের গোলরক্ষক বাসিল।

তবে ৬৬ মিনিটে আর রক্ষা হয়নি। আবারও অলিসের নিখুঁত পাসে ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে শক্তিশালী শটে গোল করেন দেম্বেলে। আন্তর্জাতিক বড় কোনো টুর্নামেন্টে এটি ছিল পিএসজি তারকার প্রথম গোল। একই সঙ্গে ম্যাচে নিজের তৃতীয় অ্যাসিস্টও করেন অলিসে।

এরপরও আক্রমণ চালিয়ে যায় ফ্রান্স। এমবাপে হ্যাটট্রিকের সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু কয়েকটি প্রচেষ্টা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৮০ মিনিটে পেনাল্টির আবেদনও করেছিলেন তিনি, তবে রেফারি তাতে সাড়া দেননি।

ইরাক অবশ্য শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায়। ৭৬ মিনিটে আলি আল হামাদির কাছ থেকে গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছেছিল মধ্যপ্রাচ্যের দলটি। বাম দিক থেকে আসা ক্রসে তার কাছ থেকে আসা স্পর্শ অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।

শেষদিকে দেশমে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে বিশ্রাম দেন। বারকোলা, অলিসে, দেম্বেলে, কুন্দে এবং শেষ মুহূর্তে এমবাপেকে তুলে নেওয়া হয়। বদলি হিসেবে মাঠে নামেন রায়ান চেরকি, দেজিরে দুয়ে, মাগনেস আকলিউশ, মালো গুস্তো এবং মার্কাস থুরাম।

অতিরিক্ত সময়ে এমবাপে আরও একটি সুযোগ পেয়েছিলেন। ইরাকের রক্ষণভাগের ভুলে বল পেয়ে একাই এগিয়ে যান তিনি, কিন্তু শট উড়িয়ে মারায় হ্যাটট্রিক হাতছাড়া হয়।

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow