এমবাপের গোলে এগিয়ে গেলো ফ্রান্স

প্রথমার্ধে সেনেগালই শটে এগিয়ে ছিল। যদিও গোল পায়নি কোনো দল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের ৬৬ মিনিটে তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপের গোলে এগিয়ে গেছে ফ্রান্স। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রায় ২০ মিনিটের কাছাকাছি গিয়ে প্রথম শট নিতে পারে ফ্রান্স। এর আগে একটি শট নিয়েছিল সেনেগালও। তবে কোনোটাই গোল হওয়ার মতো ছিল না। ২৫ মিনিটে কপালগুণে বেঁচে যায় ফ্রান্স। সেনেগালের ডিওফ অসাধারণ একটি থ্রু পাস বাড়িয়ে দেন জ্যাকসনের দিকে। একাই এগিয়ে গিয়ে তিনি কঠিন কোণ থেকে বাঁ পায়ের শট নেন। বলটি পোস্টে লেগে গোলরক্ষক মেইনানের গায়ে প্রতিহত হয়ে কর্নারের বিনিময়ে মাঠের বাইরে চলে যায়। অল্পের জন্য বেঁচে যায় ফ্রান্স! তবে পরের কর্নার থেকে কোনো বিপদ তৈরি করতে পারেনি সেনেগাল। ৪০ মিনিটে আরেকটি সুযোগ পায় সেনেগাল। তবে ৩০ গজ দূর থেকে সাদিও মানের শটটি সরাসরি ফরাসি গোলরক্ষক মেইগনানের হাতে পড়ে। প্রথমার্ধে যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে বক্সের মাঝখানে পাস পেয়েও বল উপরে মেরে দেন মানে। ফলে গোলশূন্যই থাকে প্রথমার্ধ। এমএমআর

এমবাপের গোলে এগিয়ে গেলো ফ্রান্স

প্রথমার্ধে সেনেগালই শটে এগিয়ে ছিল। যদিও গোল পায়নি কোনো দল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের ৬৬ মিনিটে তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপের গোলে এগিয়ে গেছে ফ্রান্স।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রায় ২০ মিনিটের কাছাকাছি গিয়ে প্রথম শট নিতে পারে ফ্রান্স। এর আগে একটি শট নিয়েছিল সেনেগালও। তবে কোনোটাই গোল হওয়ার মতো ছিল না।

২৫ মিনিটে কপালগুণে বেঁচে যায় ফ্রান্স। সেনেগালের ডিওফ অসাধারণ একটি থ্রু পাস বাড়িয়ে দেন জ্যাকসনের দিকে। একাই এগিয়ে গিয়ে তিনি কঠিন কোণ থেকে বাঁ পায়ের শট নেন।

বলটি পোস্টে লেগে গোলরক্ষক মেইনানের গায়ে প্রতিহত হয়ে কর্নারের বিনিময়ে মাঠের বাইরে চলে যায়। অল্পের জন্য বেঁচে যায় ফ্রান্স! তবে পরের কর্নার থেকে কোনো বিপদ তৈরি করতে পারেনি সেনেগাল।

৪০ মিনিটে আরেকটি সুযোগ পায় সেনেগাল। তবে ৩০ গজ দূর থেকে সাদিও মানের শটটি সরাসরি ফরাসি গোলরক্ষক মেইগনানের হাতে পড়ে। প্রথমার্ধে যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে বক্সের মাঝখানে পাস পেয়েও বল উপরে মেরে দেন মানে। ফলে গোলশূন্যই থাকে প্রথমার্ধ।

এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow