এমবোলোর সফল স্পট-কিকে এগিয়ে সুইজারল্যান্ড

পেনাল্টি থেকে গোল করে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে গেছে সুইজারল্যান্ড। শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত ১টায় গ্রুপ ‘বি’-এর গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের ১৩ মিনিটে ব্রিল এমবোলোর সফল স্পট-কিকে লিড পায় ইউরোপীয় দলটি। শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে চাপে পড়ে যায় কাতার। এর আগে আক্রমণ থেকে তৈরি হওয়া এক পরিস্থিতিতে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত আসে। ব্রিল এমবোলোর হেডে বল নিচে নামার পর সেটির দিকে দ্রুত এগিয়ে যান রেমো ফ্রয়লার। বলের কাছে পৌঁছাতে গিয়ে কাতারের গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তিনি। রেফারি তাৎক্ষণিকভাবে পেনাল্টির বাঁশি বাজালে সিদ্ধান্ত মেনে নেয় মাঠের পরিস্থিতি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে দেন এমবোলো। এই ম্যাচের আগে গ্রুপ ‘বি’ ইতোমধ্যে সমান প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অবস্থায় ছিল। আগের দিন স্বাগতিক কানাডা ও বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার মধ্যকার ম্যাচ ১–১ গোলে ড্র হওয়ায়, কাতার ও সুইজারল্যান্ডের সামনে গ্রুপের শীর্ষে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কাতার এই ম্যাচে খেলছে ৪-৩-৩ ফরমেশনে। গোলপোস্টে আছেন মাহমুদ আবুনাদা। রক্ষণভাগে দায়িত্ব পালন করছেন আয়ুব আল উই, পেদ্রো মিগেল, বুয়ালেম খুখি ও হোমাম এল আমিন। মাঝমাঠে আছেন ইসা লায়ে, জা

এমবোলোর সফল স্পট-কিকে এগিয়ে সুইজারল্যান্ড

পেনাল্টি থেকে গোল করে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে গেছে সুইজারল্যান্ড। শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত ১টায় গ্রুপ ‘বি’-এর গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের ১৩ মিনিটে ব্রিল এমবোলোর সফল স্পট-কিকে লিড পায় ইউরোপীয় দলটি। শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে চাপে পড়ে যায় কাতার।

এর আগে আক্রমণ থেকে তৈরি হওয়া এক পরিস্থিতিতে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত আসে। ব্রিল এমবোলোর হেডে বল নিচে নামার পর সেটির দিকে দ্রুত এগিয়ে যান রেমো ফ্রয়লার। বলের কাছে পৌঁছাতে গিয়ে কাতারের গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তিনি। রেফারি তাৎক্ষণিকভাবে পেনাল্টির বাঁশি বাজালে সিদ্ধান্ত মেনে নেয় মাঠের পরিস্থিতি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে দেন এমবোলো।

এই ম্যাচের আগে গ্রুপ ‘বি’ ইতোমধ্যে সমান প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অবস্থায় ছিল। আগের দিন স্বাগতিক কানাডা ও বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার মধ্যকার ম্যাচ ১–১ গোলে ড্র হওয়ায়, কাতার ও সুইজারল্যান্ডের সামনে গ্রুপের শীর্ষে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়েছিল।

কাতার এই ম্যাচে খেলছে ৪-৩-৩ ফরমেশনে। গোলপোস্টে আছেন মাহমুদ আবুনাদা। রক্ষণভাগে দায়িত্ব পালন করছেন আয়ুব আল উই, পেদ্রো মিগেল, বুয়ালেম খুখি ও হোমাম এল আমিন। মাঝমাঠে আছেন ইসা লায়ে, জাসেম গাবের ও আসিম মাদিবো। আক্রমণভাগে কাতারের প্রধান ভরসা আকরাম আফিফের সঙ্গে খেলছেন ইউসুফ আবদুরিসাগ ও এডমিলসন জুনিয়র।

ম্যাচের গতি বদলে দেওয়ার মতো খেলোয়াড় হিসেবে বেঞ্চে রাখা হয়েছে বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ ফুটবলারকে। হাসান আল হাইদোস, আবদুলআজিজ হাতেম, মোহাম্মদ মুনতারি, করিম বুদিয়াফ, আলমোয়েজ আলি ও লুকাস মেন্ডেস সবাই পরিস্থিতি বদলে দেওয়ার সক্ষমতা রাখেন বলে মনে করা হচ্ছে।

অন্যদিকে সুইজারল্যান্ড খেলছে ৩-৪-২-১ ফরমেশনে। গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল দায়িত্বে আছেন পোস্টের নিচে। তিনজনের রক্ষণভাগে আছেন নিকো এলভেদি, ম্যানুয়েল আকাঙ্কি ও ডেনিস জাকারিয়া। উইং-ব্যাক হিসেবে খেলছেন মিশেল এবিশার ও রিকার্ডো রদ্রিগেজ।

মাঝমাঠে সুইসদের সবচেয়ে বড় শক্তি গ্রানিত জাকা ও রেমো ফ্রয়লারের জুটি। তাদের সামনে আক্রমণ গড়ার দায়িত্বে আছেন রুবেন ভার্গাস ও ড্যান এনদোয়ে। একমাত্র স্ট্রাইকার হিসেবে আছেন গোলদাতা ব্রিল এমবোলো।

সুইজারল্যান্ডের বেঞ্চেও রয়েছে শক্তিশালী বিকল্প। আর্দন জাশারি, নোয়া ওকাফর, জেকি আমদুনি, ডিজিব্রিল সো, ফ্যাবিয়ান রিডার ও সিলভান উইডমারের মতো ফুটবলাররা কোচ মুরাত ইয়াকিনের পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

ম্যাচ শুরুর আগে বিশ্লেষকদের ধারণা ছিল, কাগজে-কলমে সুইজারল্যান্ড কিছুটা এগিয়ে। ইউরোপীয় এই দলের রক্ষণ, মাঝমাঠ ও আক্রমণ সব বিভাগেই অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক মানের ফুটবলার রয়েছে। বিশেষ করে জাকা, আকাঙ্কি ও এমবোলোর মতো খেলোয়াড়দের উপস্থিতি দলটির আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়েছে।

তবে কাতারও সহজে হার মানার দল নয়। ২০২২ বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তারা ম্যাচে ফিরতে মরিয়া। আকরাম আফিফ, আলমোয়েজ আলি ও হাসান আল হাইদোসদের মতো অভিজ্ঞদের ওপর ভর করেই তারা সমতা ফেরানোর চেষ্টা করছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow