এরদোয়ানকে ‘খুশি’ করতে ৪০টি যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তুরস্ক সফরকে ঘিরে নতুন করে আশাবাদী আঙ্কারা। বিশ্লেষকদের ধারণা, এ সফরের মাধ্যমে তুরস্কের নিজস্ব কেএএএন স্টেলথ যুদ্ধবিমান প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় এফ-১১০ যুদ্ধবিমান ইঞ্জিন সরবরাহে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন মিলতে পারে। বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
৭ ও ৮ জুলাই তুরস্কে অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো সম্মেলনে অংশ নেবেন ট্রাম্প। এর আগে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানকে তিনি ‘খুব খুশি’ করবেন। এরপর থেকেই ইঞ্জিন সরবরাহের বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির আশা করছেন তুর্কি কর্মকর্তারা।
বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্ককে প্রায় ৪০টি এফ-১১০ ইঞ্জিন সরবরাহের অনুমতি দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। এসব ইঞ্জিন দিয়ে কেএএএন যুদ্ধবিমানের আরও প্রোটোটাইপ ও পরীক্ষামূলক বিমান তৈরি করা সম্ভব হবে। বর্তমানে তুরস্ক দুটি কেএএএন প্রোটোটাইপে এই ইঞ্জিন ব্যবহার করছে।
কেএএএন হলো তুরস্কের নিজস্বভাবে তৈরি পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান, যা ভবিষ্যতে দেশটির বিমানবাহিনীর এফ-১৬ বহরের বিকল্প হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও দীর্ঘমেয়াদে এতে দেশীয় ইঞ্জিন ব্যবহারের লক
ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তুরস্ক সফরকে ঘিরে নতুন করে আশাবাদী আঙ্কারা। বিশ্লেষকদের ধারণা, এ সফরের মাধ্যমে তুরস্কের নিজস্ব কেএএএন স্টেলথ যুদ্ধবিমান প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় এফ-১১০ যুদ্ধবিমান ইঞ্জিন সরবরাহে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন মিলতে পারে। বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
৭ ও ৮ জুলাই তুরস্কে অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো সম্মেলনে অংশ নেবেন ট্রাম্প। এর আগে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানকে তিনি ‘খুব খুশি’ করবেন। এরপর থেকেই ইঞ্জিন সরবরাহের বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির আশা করছেন তুর্কি কর্মকর্তারা।
বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্ককে প্রায় ৪০টি এফ-১১০ ইঞ্জিন সরবরাহের অনুমতি দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। এসব ইঞ্জিন দিয়ে কেএএএন যুদ্ধবিমানের আরও প্রোটোটাইপ ও পরীক্ষামূলক বিমান তৈরি করা সম্ভব হবে। বর্তমানে তুরস্ক দুটি কেএএএন প্রোটোটাইপে এই ইঞ্জিন ব্যবহার করছে।
কেএএএন হলো তুরস্কের নিজস্বভাবে তৈরি পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান, যা ভবিষ্যতে দেশটির বিমানবাহিনীর এফ-১৬ বহরের বিকল্প হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও দীর্ঘমেয়াদে এতে দেশীয় ইঞ্জিন ব্যবহারের লক্ষ্য রয়েছে, তবে সেই প্রকল্প এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে।
উল্লেখ্য, এফ-১১০ ইঞ্জিন সরবরাহে অগ্রগতি হলেও এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কর্মসূচিতে তুরস্কের পুনরায় অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা এখনই কম। কারণ, রাশিয়ার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার জেরে যুক্তরাষ্ট্র ২০১৯ সালে তুরস্ককে এফ-৩৫ প্রকল্প থেকে বাদ দেয় এবং পরবর্তীতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সেই বিরোধ এখনো পুরোপুরি কাটেনি।