এলএলবি পাস প্রার্থী রিয়াজুল হয়ে গেলেন ‘স্বশিক্ষিত’

গাজীপুর-৪ আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক শাহ রিয়াজুল হান্নান। তিনি সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য প্রয়াত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আসম হান্নান শাহের ছেলে। তিনি ২০১৮ সালে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। গত সাত বছরে তার নগদ অর্থ ও সম্পদ যেমন বেড়েছে তেমন ব্যাংক ঋণও বেড়েছে। এ বছর নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের কাছে তার নির্বাচনী হলফনামায় উল্লেখ করেন, তিনি স্বশিক্ষিত। অথচ ২০১৮ সালে তিনি শিক্ষাগত যোগ্যতা দেখিয়েছিলেন এলএলবি। তিনি একজন ব্যবসায়ী। তার নামে তিনটি মামলা রয়েছে যার একটি তদন্তাধিন একটি প্রত্যাহারের পর্যায়ে ও একটি বিচারাধিন। ২০২৪ সালে একটি মামলা থেকে অব্যহতি পেয়েছেন। ২০১৮ সালে তিনি বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলার আসামি ছিলেন। বর্তমানে ব্যবসা থেকে তার বার্ষিক আয় ১৫ লাখ ৬ হাজার ৯৭৪ টাকা। তার নগদ অর্থ রয়েছে ১ কোটি ৩৩ লাখ ১২ হাজার ৫১৩ টাকা। স্ত্রীর রয়েছে ১৭ লাখ ৫৭ হাজার ৬০১ টাকা। নিজের ব্যাংকে জমা রয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৮৭ টাকা। স্ত্রীর নামে ব্যাংকে জমা রয়েছে ৮ লাখ ১০ হাজার ৩৯৯ টাকা। ২০১৮ সালে তার আমদানি

এলএলবি পাস প্রার্থী রিয়াজুল হয়ে গেলেন ‘স্বশিক্ষিত’

গাজীপুর-৪ আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক শাহ রিয়াজুল হান্নান। তিনি সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য প্রয়াত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আসম হান্নান শাহের ছেলে। তিনি ২০১৮ সালে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। গত সাত বছরে তার নগদ অর্থ ও সম্পদ যেমন বেড়েছে তেমন ব্যাংক ঋণও বেড়েছে।

এ বছর নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের কাছে তার নির্বাচনী হলফনামায় উল্লেখ করেন, তিনি স্বশিক্ষিত। অথচ ২০১৮ সালে তিনি শিক্ষাগত যোগ্যতা দেখিয়েছিলেন এলএলবি। তিনি একজন ব্যবসায়ী। তার নামে তিনটি মামলা রয়েছে যার একটি তদন্তাধিন একটি প্রত্যাহারের পর্যায়ে ও একটি বিচারাধিন। ২০২৪ সালে একটি মামলা থেকে অব্যহতি পেয়েছেন। ২০১৮ সালে তিনি বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলার আসামি ছিলেন।

বর্তমানে ব্যবসা থেকে তার বার্ষিক আয় ১৫ লাখ ৬ হাজার ৯৭৪ টাকা। তার নগদ অর্থ রয়েছে ১ কোটি ৩৩ লাখ ১২ হাজার ৫১৩ টাকা। স্ত্রীর রয়েছে ১৭ লাখ ৫৭ হাজার ৬০১ টাকা। নিজের ব্যাংকে জমা রয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৮৭ টাকা। স্ত্রীর নামে ব্যাংকে জমা রয়েছে ৮ লাখ ১০ হাজার ৩৯৯ টাকা।

২০১৮ সালে তার আমদানি রফতানি ব্যবসা থেকে বার্ষিক আয় ছিল ৬ লাখ ৫৫ হাজার ৪০০ টাকা। নগদ অর্থ ছিল ৫ লাখ ৯৮ হাজার ২১৮ টাকা। ব্যাংকে জমা ছিল ১ হাজার ৭৮২ টাকা।

উপহার পাওয়া নিজ নামে ৩০ ভরি ও স্ত্রীর নামে ২০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। ২০১৮ সালে নিজ নামে ৩০ ভরি স্বর্ণের কথা উল্লেখ করেছিলেন। বর্তমানে তার ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী ও ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের আসবাবপত্র রয়েছে।

২০১৮ সালে তার ২৫ হাজার টাকা মূল্যের ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী ও ৪৫ হাজার টাকা মূল্যের আসবাবপত্র ছিল। বর্তমানে তার ২৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ পৈত্রিক জমি ও পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ২৮০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট রয়েছে। ২০১৮ সালে হলফনামায় তিনি ২ দশমিক ৯১ শতাংশ জমির মালিকানা দেখিয়েছিলেন।

বর্তমানে তার ট্রাস্ট ব্যাংক থেকে ৯২ লাখ ৮৬ হাজার টাকার ব্যাংক ঋণ রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। ২০১৮ সালে ব্যাংক এশিয়ায় তার ব্যাংক ঋণ ছিল ১ লাখ ৮১ হাজার ২৭৮টাকা। শাহ রিয়াজুল হান্নানের আয়কর রির্টানে দেখানো সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ২ কোটি ৩৭ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। আর স্ত্রীর দেখানো হয়েছে ৫২ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। প্রার্থী নিজে আয়কর দিয়েছেন এক লাখ ৫১ হাজার ৮৯৪ টাকা। স্ত্রীর আয়কর দিয়েছেন ২৭ হাজার ৫৮২ টাকা।

মো. আমিনুল ইসলাম/আরএইচ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow