এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলপিজি) বিক্রি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছেন ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে এলপিজি বিক্রেতাদের সংগঠনের সভাপতি মো. সেলিম খান এ তথ্য জানান। এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি জানান, অপারেটরদের কাছ থেকে সিলিন্ডার কিনতেই তাদের এক হাজার ৩০০ টাকার বেশি দিতে হচ্ছে। তাই ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার দেড় হাজার টাকার কম দামে বিক্রি করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। বৈঠকে নেতারা তিনটি দাবি উত্থাপন করেন। সেগুলো হলো- সারাদেশে চলমান প্রশাসনিক অভিযান বন্ধ করা, বিতরণকারী ও খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ বৃদ্ধি করা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা। আরও পড়ুনউৎপাদন পর্যায়ে অব্যাহতি দিয়ে আমদানিতে ১০% ভ্যাট নির্ধারণে চিঠি এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ, ভোগান্তিতে গ্রাহক বৈঠকে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ আশ্বস্ত করেন যে চলমান অভিযানের বিষয়ে তারা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলবেন ও চার্জ বাড়াতে আইনগত পদক্ষেপ নেবেন। জালাল আহমেদ বলেন, এলপিজি অপারেটরদের সংগঠন জানিয়েছে যে জাহাজ সংকটের মধ্যেও পণ্য আমদানির জন্য বিকল্প ব
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলপিজি) বিক্রি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছেন ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে এলপিজি বিক্রেতাদের সংগঠনের সভাপতি মো. সেলিম খান এ তথ্য জানান।
এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি জানান, অপারেটরদের কাছ থেকে সিলিন্ডার কিনতেই তাদের এক হাজার ৩০০ টাকার বেশি দিতে হচ্ছে। তাই ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার দেড় হাজার টাকার কম দামে বিক্রি করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।
বৈঠকে নেতারা তিনটি দাবি উত্থাপন করেন। সেগুলো হলো- সারাদেশে চলমান প্রশাসনিক অভিযান বন্ধ করা, বিতরণকারী ও খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ বৃদ্ধি করা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা।
আরও পড়ুন
উৎপাদন পর্যায়ে অব্যাহতি দিয়ে আমদানিতে ১০% ভ্যাট নির্ধারণে চিঠি
এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ, ভোগান্তিতে গ্রাহক
বৈঠকে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ আশ্বস্ত করেন যে চলমান অভিযানের বিষয়ে তারা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলবেন ও চার্জ বাড়াতে আইনগত পদক্ষেপ নেবেন।
জালাল আহমেদ বলেন, এলপিজি অপারেটরদের সংগঠন জানিয়েছে যে জাহাজ সংকটের মধ্যেও পণ্য আমদানির জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী সপ্তাহের মধ্যে সরবরাহের সংকট কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে।
বিইআরসি চেয়ারম্যান জানান, জানুয়ারি মাসের জন্য নির্ধারিত এক হাজার ৩০৬ টাকার বেশি দামে পণ্য বিক্রির কোনো যুক্তি তিনি দেখছেন না।
ইএইচটি/কেএসআর/এএসএম
What's Your Reaction?