এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ, ভোগান্তিতে গ্রাহকরা
অনির্দিষ্টকালের জন্য এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি। সিলিন্ডারের দাম নতুন করে নির্ধারণ এবং ডিলারদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধের দাবিতে এ ঘোষণা দেন তারা। ঘোষণা অনুযায়ী- আজ বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকাসহ সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রয়েছে। দুই দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রাখবেন তারা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। বুধবার (৭ জানুযারি) রাতে দেশের পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রাখতে এমন নির্দেশনা দেয় ব্যবসায়ী সমিতি। এতে বলা হয়, সব কোম্পানির প্ল্যান্ট থেকে এলপিজি উত্তোলনও বন্ধ থাকবে। এর আগে বুধবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে দাবি তুলে ধরে এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতি। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) থেকে নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য সমন্বয় করতে হবে। প্রশাসন দিয়ে ডিলারদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধ করতে হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ থাকবে। এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতির
অনির্দিষ্টকালের জন্য এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি। সিলিন্ডারের দাম নতুন করে নির্ধারণ এবং ডিলারদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধের দাবিতে এ ঘোষণা দেন তারা।
ঘোষণা অনুযায়ী- আজ বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকাসহ সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রয়েছে। দুই দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রাখবেন তারা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা।
বুধবার (৭ জানুযারি) রাতে দেশের পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রাখতে এমন নির্দেশনা দেয় ব্যবসায়ী সমিতি। এতে বলা হয়, সব কোম্পানির প্ল্যান্ট থেকে এলপিজি উত্তোলনও বন্ধ থাকবে।
এর আগে বুধবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে দাবি তুলে ধরে এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতি। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) থেকে নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য সমন্বয় করতে হবে। প্রশাসন দিয়ে ডিলারদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধ করতে হবে।
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ থাকবে।
এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সেলিম খান বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রয়েছে। বিকেল ৩টায় বিইআরসির সঙ্গে আমাদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে দাবি মানা হলে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি শুরু হবে। আর না হলে বিক্রি বন্ধ থাকবে।
ইব্রাহিমপুর এলাকার কোনো দোকানেই সিলিন্ডারের গ্যাস নেই। দুই একটি দোকানে কিছু বোতল থাকলেও দাম বেশি। এই এলাকার সিলিন্ডারের গ্যাস ব্যবসায়ী আরাফাত জাগো নিউজকে বলেন, ১২ কেজি এলপি গ্যাস ২১০০ থেকে ২৩০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। এই এলাকার একটি দোকানেও গ্যাস নেই। চাহিদা অনুযায়ী আমরা সিলিন্ডার পাচ্ছি না। ডিস্ট্রিবিউটর ও কোম্পানি উভয়েই দাম বেশি রাখছে। ১৩৭০ টাকার গ্যাস কোম্পানির কাছ থেকেই ডিস্ট্রিবউটররাও বেশি দামে আনে। আমরা ডিস্ট্রিবউটরদের কাছ থেকেই ২ হাজার টাকায় আনতে হয়।
তিনি আরও বলেন, আজ কোথাও সিলিন্ডার নেই। রাতে টঙ্গী থেকে এনেছি। ২১০০ টাকা দিয়েছি। বিক্রি করছি ২৩০০ টাকায়।
ইএইচটি/এনএস/এএএইচ/এমআইএইচএস/বিএ/এএসএম
What's Your Reaction?